Archive | September 2012

Ms Word 2007 Exam Question

 This question is based upon the figure shown below

1

 

 Question:1.

For what purpose is the SmartArt graphic control used, as shown in the picture?

a. It is used to rotate the SmartArt graphic.

b. It is used to add a watermark on shapes.

c. It shows the Text Pane on clicking the control.

d. None of the above

 

 This question is based upon the figure shown below

 

 

 Question:2

In the given picture, the “Keep Text Flat” option has been selected. What is the use of this feature?

 

a. When this option is selected, the text inside the shape follows the shape’s front surface as it rotates.

b. It moves the shape backward or forward in 3-D space.

c. It prevents text inside the shape from rotating when the shape is rotated.

d. All of the above

 This question is based upon the figure shown below

 

 

 Question:3

What does the icon marked with ‘A’ on the status bar on the bottom of the page indicate in the given picture?

a. It indicates that the document contains a virus.

b. It indicates a watermark.

c. It indicates that Mail Merge is over.

d. It indicates that the document contains a signature.

 This question is based upon the figure shown below

 Question:4

Which of the following is shown in the picture, denoted by A?

a. Opacity Handle

b. 3-D Handle

c. Rotation Handle

d. None of the above

 This question is based upon the figure shown below

 

 

 Question:5

Which chart type does the given picture represent?

a. Surface charts

b. Stock charts

c. XY (Scatter) charts

d. Area charts

 

Item No: 20 of 40           Time Remaining: 0:18:54

 This question is based upon the figure shown below

 

Question:6

Refer to the given picture. Which of the following buttons is used to show paragraph marks and other hidden formatting symbols?

a. A

b. B

c. C

d. D

 

Item No: 28 of 40           Time Remaining: 0:13:46

 Question:

Which among the following is a keyboard shortcut to underline blank spaces for a form?

a. Ctrl + Hyphen(-)

b. Shift + Hyphen(-)

c. Alt + Hyphen(-)

d. All of the above

 

Item No: 36 of 40           Time Remaining: 0:07:09

 Question:

State whether true or false:

 

Switches and parameters are not case-sensitive.

a. True

b. False

 

Item No: 38 of 40           Time Remaining: 0:04:34

 Question:

State whether true or false:

 Placeholder citations appear in the bibliography.

a. True

b. False

Item No: 40 of 40           Time Remaining: 0:19:57

 Question:

State whether true or false:

 Changes that are made on the Worksheet are automatically updated in the chart.

a. True

b. False

 

Item No: 38 of 40           Time Remaining: 0:20:25

 Question:

Which method determines the position of the “Envelope” while printing, in the Envelope options dialog box?

a. Rotation method

b. Feed method

c. Position method

d. None of the above

 

Item No: 33 of 40           Time Remaining: 0:24:03

 This question is based upon the figure shown below

 

Question:7

Which among the following options represents Legend entries in the given picture?

a. A

b. B

c. C

d. None of the above

 

Item No: 30 of 40           Time Remaining: 0:25:18

 This question is based upon the figure shown below

 Question:8

Refer to the picture given above. Which of the following options should be selected to scroll both documents together?

            a.         A

            b.         B

            c.         C

            d.         None of the above

 

Item No: 23 of 40           Time Remaining: 0:28:25

 Question:

State whether true or false:

An existing table cannot be copied and pasted into another table.

            a.         True

            b.         False

 

tem No: 22 of 40            Time Remaining: 0:28:50

 Question:

The Draft view was called the Normal view in versions of Word prior to Word 2007. The Draft view can help with setting the page and section breaks for the document. Which of the following could be used to select the Draft view for a document?

 

a. Open the View ribbon. Click Draft in the Document Views group.

b. Select the Office button and then select Word Options. In the Word Options dialog box, select Display and check the Draft check box under Page display options.

c. Click the Draft icon on the Status Bar.

Item No: 16 of 40           Time Remaining: 0:32:32

 This question is based upon the figure shown below

 

  Question:

Which of the following is true about the term “Mark as Final,” as shown in the picture?

 

a. It prevents reviewers or readers from making inadvertent changes to the document.

b. It helps to communicate that a completed version of a document is being shared.

c. Anyone who receives an electronic copy of a document that has been “Marked as Final” can edit that document by removing the “Mark as Final” status from the document.

d. All of the above

 

Item No: 15 of 40           Time Remaining: 0:32:59

 Question:

State whether true or false:

 Cover pages are always inserted at the beginning of a document, no matter where the cursor appears in the document.

a. True

b. False

 

Item No: 6 of 40             Time Remaining: 0:37:34

 This question is based upon the figure shown below

 

 

 Question:

Which among the following settings should be applied in the “Format Drawing Canvas” dialog box, as shown in the picture, to remove a border from a drawing object?

            a.         Change Dashed to none

            b.         Change Weight to 0 pt

            c.         Change Line — Color to No Color

            d.         Change Style to none

 

Item No: 6 of 40             Time Remaining: 0:37:34

 This question is based upon the figure shown below

 

 

 Question:10

Which among the following settings should be applied in the “Format Drawing Canvas” dialog box, as shown in the picture, to remove a border from a drawing object?

            a.         Change Dashed to none

            b.         Change Weight to 0 pt

            c.         Change Line — Color to No Color

            d.         Change Style to none

 

Item No: 2 of 40             Time Remaining: 0:39:22

 Question:

State whether true or false:

 

In Microsoft Word 2007, a diagram can be converted to individual shapes.

            a.         True

            b.         False

Advertisements

Ms Word 2007 Exam in Odesk

ডেসটিনি প্রতারণা করে না (part – 2)

ডেসটিনি প্রতারণা করে না

বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় ডেসটিনি-২০০০ লিঃ ও এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান নিয়ে যেসব বিভ্রান্তিকর
প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আমীন
বৈশাখী টেলিভিশনে ‘গ্রামীণ জিরো আওয়ার’ অনুষ্ঠানে (শনিবার মধ্যরাতে) সেসব বিষয়ে বিশদ বক্তব্য দিয়েছেন। তাঁর সে বক্তব্যের প্রথম অংশ গতকাল প্রকাশিত হয়েছে। আজ তুলে ধরা হল বাকি অংশ।
প্রশ্ন : বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আপনাদের কোনো কথা হয়েছে?
উত্তর : আমাদের সঙ্গে কোনো কথা হয়নি। পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে বলছি।
প্রশ্ন : রিপোর্ট পাননি?
উত্তর : না, আমরা পাইনি। আমাদেরকে দেওয়া হয়নি অফিসিয়ালি। আমরা যা দেখেছি পত্রিকাতে দেখেছি।
প্রশ্ন : বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি কি আপনাদের কাছে এসেছিলেন?
উত্তর : দুজন এসেছিলেন। তারা এসেছিলেন বৈদেশিক মুদ্রা পরিদর্শন ও ভিজিলেন্স বিভাগ থেকে। মানে আমাদের এখানে কোনো মানিলন্ডারিং হচ্ছে কি না উনারা এসেছিলেন সেটা দেখার জন্য। দেখতে আসার পর আমরা বলেছি আমরা তো কোনো বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন করি না। তখন তারা বললেন আমাদেরকে হেলপ করেন। আমরা কিছু জিনিস আপনাদের কাছ থেকে জানতে চাইব। তারা একটি সাদা কাগজে এটা কত নন-প্রফেশনাল অ্যাপ্রোচ, তাদের কিন্তু আসা উচিত ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের একটা কভার লেটারে। তা না করে তারা কি করেছে, ওইখানে অফিসে বসেছে ৪৫ মিনিট। আমাদের প্রত্যেকটা অফিসে কিন্তু সিসি ক্যামেরা থাকে। আপনারা যদি দেখতে চান আপনাদের রেকর্ড দেখাতে পারব। ওই ভদ্রলোকেরা সিঁড়ি দিয়ে এসে ৪৫ মিনিট ছিল। এই কম সময়ে এত বড় প্রতিষ্ঠানের তদন্ত করা সম্ভব নয়। কি করলেন, উনারা এসে বললেন, ১৫টা জিনিস আমাদের দেন। হাতে লেখা। কেন উনারা কি এটা করতে পারতেন না, ঠিক আছে আমরা এখন চলে যাচ্ছি। আমরা টাইপ করে নিয়ে আসছি আপনাদের কাছে কি চাচ্ছি। উনারা এলেন মানিলন্ডারিং করছি কি না জানতে। কিন্তু যখন দেখলেন যে, এখানে মানিলন্ডারিংয়ের কিছু নেই তখন বললেন প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্র, সনদের কপি ইত্যাদি বলে ১৪/১৫টি জিনিস চাইলেন। সময় ৪৫ মিনিট। চাওয়ার পর আমরা কিছুদিন পর সেগুলো সরবরাহ করেছি। এরপর নিয়ম হচ্ছে তারা আমাদের কাছে একটা রিপোর্ট পাঠাবে যে, আপনাদের কাছে এগুলো চাওয়া হয়েছিল দিতে পারেননি বা আপনাদের এই জিনিসগুলো ক্লিয়ার নয়। এগুলোর জবাব দিন। তাহলে আমরা আবার যাব। তারা আসবে এটিই হচ্ছে ইনভেস্টিগেশনের নিয়ম। কিন্তু আমি দেখেছি একতরফা শুধু একদিন একটা কাগজে সেখানে লিখছেন_ বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা ও ভিজিলেন্স বিভাগের ৬.০২.২০১২ তারিখের ইস্যুকৃত নির্দেশিকা নং ৪৩-এর আলোকে ভিজিলেন্স দলকে নিম্নলিখিত ডকুমেন্ট সরবরাহ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। আমরা এগুলো সরবরাহ করেছি। করার পর তো বলবে যে, ওই জিনিসটা মিসিং আছে বা আমাদের একটা সন্দেহ তৈরি হয়েছে। আপনারা এগুলো করছেন কেন? আর সবচেয়ে মজার কথা হচ্ছে, আমি এই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান। আমি জানি না উনারা কখন এসেছেন। উনারা কখনই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেননি। আমার ব্রাঞ্চে যাকে পেয়েছেন তাকে কাগজটা দিয়ে এসেছেন। তার নাম আকবর হোসেন সুমন। সে প্রতিষ্ঠানের ট্রেজারার। ভাগ্য ভালো যে, সে যথাসময়ে কাগজপত্র সাপ্লাই দিতে পেরেছে। সাপ্লাই দেয়ার পর কাজটা কি ছিল। চেয়ারম্যানের কাছে এসে বলা যে, আপনার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আমাদের কিছু অবজারভেশন আছে। এই জিনিসগুলোতে আমরা সেটিসফাইড নই, এগুলো সেটিসফাইড করেন। তখন যদি আমরা সেটিসফাইড করতে না পারতাম তাহলে আপনি একটা রিপোর্ট তৈরি করতে পারতেন। কিন্তু আমরা কিছুই জানি না। আমরা জানলাম কার কাছ থেকে_ পত্র-পত্রিকা থেকে। আমাদের ব্যাপারে একটা ইনভেস্টিগেশন হয়েছে হাজার হাজার টাকা লন্ডারিং করেছি, হাজার হাজার কোটি টাকা।
প্রশ্ন : আপনার দুজন শীর্ষ পরিচালক অস্ট্রেলিয়ায় আপেল চাষের জন্য ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন, আপনার লন্ডনে বাড়ি আছে।
উত্তর : আমি একটা কথা বলব আজকে। যদি অস্ট্রেলিয়া কেন, পৃথিবীর কোনো দেশে ৫০০ কোটি নয়, ৫ কোটি টাকার কোনো বাগান নয়, যদি জমি দেখাতে পারেন, বাংলাদেশ সরকার এটা দখল করে নেবে। সরকারকে অধিকার দিয়ে দিলাম। আর লন্ডনে আমার যে বাড়ির কথা বলছে, যারা রিপোর্ট করেছে তাদের দিয়ে দেওয়া হল। এগুলো বাকওয়াজ কথাবার্তা।
প্রশ্ন : আপনি বিদেশে যান না, বিদেশে এমএলএম নিয়ে কাজ করেন?
উত্তর : আমরা বিদেশে গেলে হোটেলে থাকি। আমরা বিদেশে এমএলএম করব, প্ল্যান করেছি। টেকনোলজি আমরা বিক্রি করব। ইস্তাম্বুলে আমরা একটা কনফারেন্সে জয়েন করেছি। এখানে ওয়ার্ল্ডের নাম করা এমএলএম কোম্পানি। তাদের সঙ্গে দেখা হয়েছে। তারা বলল ডযধঃ রং ফবংঃরহু? তোমাদের বয়স কত? ১১ বছর বয়স। বলল ১১ বছরে তোমরা এখানে চলে এসেছ। বাংলাদেশ এমএলএম বুঝে? হ্যাঁ, বুঝে কিন্তু সমস্যা হচ্ছে। এমওয়ের প্রেসিডেন্ট, যিনি বললেন ঠিক আছে আমি বাংলাদেশে আসব। কথা বলার জন্য। তারা ৬০ বছরের পুরনো কোম্পানি। তারা যখন আমাদের এনকারেজ করল যে, তোমার প্রযুক্তি যদি ভালো হয় আমাদের প্রমোট করো। আমরা তোমাকে রয়্যালিটি দেব। তখন আমার মাথার মধ্যে ক্যাচ করলো আমার এই সিস্টেম যদি বাংলাদেশে সত্যিই একসেপটেবল হয় তাহলে ডযু হড়ঃ ড়ঁঃংরফব. তখন আমি বাইরের কয়েকটি দেশের লোকাল লোকদের সংগঠিত করলাম, বললাম তোমরা বিনিয়োগ কর। আমি প্রযুক্তি দেব। আমাকে রয়্যালটি দিতে হবে। অলরেডি কয়েকটি দেশের ম্যান্ডেট পেয়েছি। যারা অফিস নিয়ে নিজেরা প্রতিষ্ঠান চালাবে আমার শুধু মাসে এক-দু’বার গেলেই হবে। আমি সেখানে গিয়ে সেট করে দেব। ডেসটিনি ওয়ার্ল্ডওয়াইড করবো, এর পেছনে আমার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ফরেন কারেনসি আর্ন করা। দেখেন, আমাদের দেশ থেকে গার্মেন্টস এক্সপোর্ট করে আর্ন করা হচ্ছে, অন্যান্য জিনিস এক্সপোর্ট করে আর্ন করা হচ্ছে। ম্যানপাওয়ার এক্সপোর্ট করে আর্ন করা হচ্ছে। এই প্রথায় আমি ভিন্ন ধারার চিন্তা এনেছি। ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি এক্সপোর্ট করে কীভাবে আর্ন করা যায়। দ্যাট ইজ দ্য টেকনোলজি। এ বছর আমরা প্ল্যান করেছি ৬/৭টা দেশে জয়েন্টভেঞ্চারে যাব। এখানে আমার দাবি ছিল ইন্টালেকচুয়াল প্রপার্টি হিসেবে আমাকে ৭০% রয়্যালি দিতে হবে। তারা বলছে, এটা কি করে সম্ভব?
প্রশ্ন : অর্থ পাচারের বিষয় আপনি অস্বীকার করছেন? এটা যদি তদন্ত করা হয়?
উত্তর : এর কোনো প্রাপ্তি নেই। তবুও যদি তদন্ত করে পরিচালকের নামে কিছু পান, তা বাংলাদেশ সরকারের বাজেটে দান করে দেবেন। আর এটা যারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে লিখেছে_ তাদের বিষয়ে সরকারের কাছে, প্রশাসনের কাছে আবেদন করব যারা লিখেছে তারা নিশ্চয়ই টাকাটি কীভাবে গিয়েছে জানে। দয়া করে তাদেরকে ধরে তাদের মাধ্যমে তাদের পেছনে আমরাও যাব টাকা নিয়ে আসার জন্য। টাকা বাইরে থাকার দরকার নেই। টাকা রাখার নিরাপদ জায়গা হচ্ছে বাংলাদেশ। পৃথিবীর যে কোনো দেশের সুস্থ মানুষ নিজের দেশে টাকা রাখতে চাইবেন। কারণ সেখানে তার এভিডেন্স বেশি।
প্রশ্ন : বলা হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ায় আপেল বাগানের ৫০০ কোটি টাকা। এই আপেল বাগান দেখবে কে, আর আপেল খাবে কে?
উত্তর : তাহলে এগুলো লেখা হচ্ছে কেন? এটা কিন্তু একটা মহলের উদ্দেশ্যমূলক উস্কানি। আমরা একটা উদ্দেশ্য নিয়েছি বাংলাদেশে ২০১২ সালের মধ্যে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থান করব। যেখানে আমাদের লাখ লাখ ডিস্ট্রিবিউটর সফলভাবে দু’পয়সা আয় করছে, যারা আজকে মাস্টার্স করার পরে ১০ হাজার টাকার একটা চাকরি পেত কি-না, সেই সংশয় তাদের মধ্যে ছিল। অথচ আজকে তারা ৫০ থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করছেন। তাদেরই সুস্থ অবস্থানকে বিভ্রান্তিমূলক ডাইভার্ট করার জন্য একটা, হ্যাপাজার্ড একটা অবস্থা করার জন্য একটা কথা ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে, এ কথা সাধারণত মানুষ বা ডিস্ট্রিবিউটররা শুনে তাদের একটি প্রথমে খটকা লাগবে, যে আমরা এত কষ্ট করে বিপণন করছি আর পরিচালকরা ৫০০ কোটি টাকা বিদেশ নিয়ে যাচ্ছে কেন।
প্রশ্ন : আপনারা যত টাকা সদস্যদের কাছ থেকে নিয়েছেন তত টাকা তো আপনাদের নেই। এখন যদি আকস্মিকভাবে প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে তাদের কি টাকা ফেরত দিতে পারবেন? তারল্য সংকট তো আপনাদের অভ্যন্তরেই রয়েছে? হিসাব ব্যবস্থাপনা ঠিক না বলে অভিযোগ আছে।
উত্তর : এগুলো ঠিক না। তিনটি কোম্পানি নিয়ে কথা হচ্ছে। ডেসটিনি ২০০০ লি:-এর কোনো গ্রাহক বলতে কিছু নেই। কোনো আমানত আমাদের কাছে থাকে না। বিক্রি করার পরে সপ্তাহ শেষে যা হিসাব হয় সঙ্গে সঙ্গে তা লেনদেন হয়ে যায়। তার মানে ডেসটিনি ২০০০ লি: আল্লাহ না করুক যদি কোনো কারণে বন্ধ হয়ে যায় বা কেউ বন্ধ করে দেয় কোনো অপশক্তি, তাহলে দেখা যাবে এক সপ্তাহের গ্রাহকের কমিশন দেওয়া হয়নি। কারণ এক সপ্তাহ পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা কমিশন দিয়ে দিচ্ছি। আর্থিক লেনদেনের ব্যাপারটা এক সপ্তাহের মধ্যে মিটমাট হয়ে যাচ্ছে। ডেসটিনি ২০০০ লি:-এর কোনো লায়াবিলিটি নেই, এই প্রতিষ্ঠানের কোনো ঋণ নেই। ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে কোনো দায়বদ্ধতা নেই। কারো কাছে কেউ দায়বদ্ধ নয়। দায় শুধু এক সপ্তাহের ক্রেতা-পরিবেশকদের পাওনা। তাহলে ওই এক সপ্তাহ যে ৩০-৩৫ হাজার লোকের পাওনা সেটা হয়তো দেওয়া যাবে না; কিন্তু তার আগের সব পাওনা মিটমাট হয়ে গেছে। ডেসটিনি ট্রি প্ল্যানটেশনে ৫-৭ বছরে আমাদের টোটাল লেনদেন হয়েছে ৬০০ কোটি টাকা। আপনি তো পেপারে দেখলেন হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন আল্লাহ না করুক ফেল করলে ডিস্ট্রিবিউটরদের চেয়ে কোম্পানি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রতিষ্ঠান কিছু লাভের জন্য করেছে। আমরা ৭ কোটি চারাগাছ রোপণের উদ্যোগ নিয়েছি। অলরেডি দেড় কোটি লাগানো হয়েছে। যারা ৬ বছর মেয়াদে বিনিয়োগ করেছে তারা এ বছর মে মাস থেকে টাকা পাওয়া শুরু করবে। ৭০-৮০ হাজার গ্রাহকের। আর আপনারা দেখবেন কাজটা আমরা সুষ্ঠুভাবে করতে পারছি কি-না?
এখন প্যানিক সৃষ্টির জন্য যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে তার একটাই উদ্দেশ্য। আমাদের সেলগুলো যেন আর আগে বাড়তে না পারে। মানুষ যেন ভয় পায়, আমরা তো আবার যুবকের মতো একটা বিপদে পড়তে যাচ্ছি, আমি ক্রেতা পরিবেশকদের উদ্দেশ্যে একটা কথা বলব, আপনারা গত ১১টি বছর আমাদের কাজকর্ম দেখেছেন, যদি এতটুকু বিশ্বাস আপনাদের থাকে, আপনারা লাইনে চুপ করে থাকেন, একটি লোকেরও প্রতারণার সুযোগ রাখিনি।
প্রশ্ন : আপনারা ভাড়া অফিসে থাকেন, ভাড়া বাসায় চলেন; কিন্তু অভিযোগ আছে সদস্যদের টাকায় যে জমি কেনা হয়, তা অনেক পরিচালকের নামে কেনা হয়?
উত্তর : না এটা সত্য নয়।
প্রশ্ন : কিছু পরিচালক সদস্যদের কষ্টার্জিত টাকায় প্রচ- ধনী হয়ে উঠেছেন, আরএনডি বা গবেষণার নামে, কমিশনের নামে প্রচুর টাকা জনগণের কাছ থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন।
উত্তর : আগের কথাটা বলি। কথাটা হচ্ছে আমাদের যারা পরিচালক তারা ডিস্ট্রিবিউটরও বটে। আমাদের যারা পরিচালক তাদের কেউ ডায়মন্ড, কেউ ক্রাউন। আমাদের হোসাইন সাহেব তো ক্রাউন অ্যাম্বাসাডর, স্বপন ক্রাউন, গোফরান ডায়মন্ড, আমি ডায়মন্ড। আমরা কিন্তু অলরেডি পরিবেশক। হাজার পরিবেশক যেমন ইনকাম করছে, তারাও ইনকাম করছে, আমরা মনে করি শুধু যদি সেলারির ওপর নির্ভর করে আমরা ভাত খেতে পারব না, আমরাও পরিবেশক হয়ে বসে আছি। আমরাও কমিশন পাই। আমার ওয়াইফও পরিবেশক। এখানে কোনো গ্রাহকের টাকা দিয়ে জমি কেনার সুযোগ নেই। কারণ গ্রাহককে বিদায় করতে হচ্ছে এক সপ্তাহের মধ্যে। ঘটনা হচ্ছে যারা আমরা দীর্ঘমেয়াদে টাকা খাটিয়েছি, যারা বলতে আমিও আছি।
যেমন আমাদের একটি প্যাকেজ আছে ডিআইবিসি প্যাকেজ। এ প্যাকেজটা হচ্ছে আপনারা এখানে ২০ হাজার টাকা খাটান ৬ বছরে আড়াই গুণ হবে। এখানে রিপোর্টের মধ্যে লিখছে অতি উচ্চ হারে সুদ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি। ১৬ শতাংশ, আপনি বলে দিয়েছেন ১৬ শতাংশ কি খুব বেশি উচ্চহারে হচ্ছে? আমি তো দেখলাম ১৮% ইন্টারেস্টে ক্রেডিট কার্ড দেওয়া হচ্ছে ব্যাংকে।
ডেসটিনি মালটিপারপাস প্রথম উদ্যোগ নিচ্ছে ৯ শতাংশ ইন্টারেস্টে টাকা দেবে। ডিজিটাল প্ল্যান একটা এবং এটা হচ্ছে সিঙ্গেল ডিজিট। যেটা বাংলাদেশ ব্যাংকের মাননীয় গভর্নরের স্বপ্ন ছিল আমরা কিভাবে সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনতে পারি, আমরা প্ল্যান করেছি জুলাই মাসে প্ল্যানটা জমা দেব। ৯ শতাংশ ইন্টারেস্টে আমরা প্রতিষ্ঠান চালাতে পারব। আমরা মাইক্রোক্রেডিটে বিশ্বাস করি না। আমরা বিশ্বাস করি বিনিয়োগে। যে কারণে আপনি দেখবেন মাল্টিপারপাসের অধিকাংশ সম্পদ কেনা হয়েছে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে, আপনি বলছেন পরিচালকদের নামে, পরিচালকদের নামে নয়। মাল্টিপারপাসের পক্ষেই কেউ সই করে।
প্রশ্ন : আপনারা সরকারকে নানাভাবে ম্যানেজ করেন। সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সরকারের অবসরপ্রাপ্ত ও আমলাদের সুবিধা দিয়ে প্রভাবশালী বর্ম তৈরি করেছেন, তাদের ঘুষ দেন, আপনারা যে বিভিন্ন সময় স্পন্সর করেন এগুলো কি এর অংশ নয়?
উত্তর : না, আমাদের একটি সিএসআর ফান্ড আছে ডেসটিনি ফাউন্ডেশন। এ ফান্ডে প্রতিটি ডিস্ট্রিবিউটর সেলসের আন্ডারে ১০ টাকা দান করি। আমরা এ ফাউন্ডেশনের আওতায় কলেজ চালাই। দুটি সাইক্লোন সেল্টার করেছি শরণখোলায়। তারপর ২৭ ছাত্রকে স্কলারশিপ দিয়েছি। বিভিন্ন ধরনের স্পোর্টসে স্পন্সর করি। এটা কিন্তু আমরা নই শুধু, অনেকেই করে। সবচেয়ে বেশি সিএসআর করে ডাচ্্-বাংলা ব্যাংক, ১০০ কোটি টাকা বৃত্তির জন্য রেখেছে। আমরা তো এতদূর যেতে পারিনি। আমাদের এ বছর সিএসআর হতে পারে ২৫ কোটি টাকার মতো।
প্রশ্ন : বিভিন্ন সেক্টরের ব্যক্তিদের সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়।
উত্তর : এগুলো কিন্তু অসত্য, বানোয়াট কথা। এগুলো হচ্ছে আমাদের কিছু অসাধু কর্মচারীকে বহিষ্কার করেছি। এই কর্মচারীরা নিজেদের চাকরি হারিয়ে সানাই-বানিয়ে একটি স্টোরি বলতেছে। শুধু দেখান যে, আমরা বড় পর্যায়ের কাকে কিভাবে ম্যানেজ করেছি।
সেনাবাহিনীর (অব.) কর্মকর্তারা বেরিয়ে আসার আগে এইচআর এবং এমআইআরএ-এর ওপর লেখাপড়া করে। চাকরি শেষে তারা জব মার্কেটে কম বেতনে এন্ট্রি লেভেলে নেমে যায়। আপনি বলেন, একজন প্রফেশনাল লোককে ৬-৭ লাখ টাকা দিয়ে চাকরিতে আনা ভালো, না যে আমার সঙ্গে দুই আড়াই লাখ টাকায় একজন দক্ষ অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাকে আনা ভালো। তাকে যখন চাকরি দেওয়া হচ্ছে তখন মনে করা হচ্ছে তার মাধ্যমে সরকারকে ম্যানেজ করা হচ্ছে; সরকার সেনাবাহিনীর কথা শুনতে বাধ্য নয়।
প্রশ্ন : সাবেক সচিব? সাবেক আমলা?
উত্তর : এগুলো একদম গুরুত্বহীন কথা, আমার খুব কষ্ট লেগেছে, আমরা এখন পর্যন্ত বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে অভ্যস্ত হতে পারিনি, তবে এ ক্ষেত্রে আমার কথা হচ্ছে, আমাকে একটা উদাহরণ দিন যে আমরা অমুককে ম্যানেজ করেছি।
প্রশ্ন : ডেসটিনির লাইলেন্স বাতিল করা হয়েছে। দুদকে মামলার প্রস্তুতি হচ্ছে, সংসদে এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যে কোনো সময় উধাও হয়ে যাবে বলে গুজব আছে? আপনার সদস্যদের জন্য বার্তা কী, মানুষের জন্য বার্তা কী? প্রস্তুতি কি?
উত্তর : ব্যাপারটা এমন না যে, কোনো দুর্বলতা রেখে কাজ করেছি। পত্রপত্রিকায় এত লেখালেখি হয়েছে, তারপরও আমাদের কাজের ধারাবাহিকতা নষ্ট হয়নি। যেদিন পত্রিকায় লেখা হয়েছে, সেদিন মিরপুর ইনডোরে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রোগ্রাম হয়েছে। আরো ১০০ দিন যদি পত্রিকায় লেখে আমরা কিছু বলব না। শুধু আমরা জানব আমাদেরকে আরো বেশি সতর্ক হতে হবে। বাংলাদেশে উন্নয়ন করতে গেলে এমন বাধা নিয়েই আমাকে চলতে হবে। আপনি দেখেন বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ৪০ বছর হয়ে গেছে। উন্নয়নের জন্য ৪০ বছর অনেক। কথা হচ্ছে কেন পারছি না, তা হচ্ছে বাধা। বাধা বন্ধ করে দেন বাংলাদেশ ডেভেলপ হতে ১০ বছরও লাগবে না। বাধা চলতে থাকলে ১০০ বছরও লেগে যেতে পারে।
প্রশ্ন : আপনাকে প্রশ্ন করলে কি বাধা? আপনার কর্মকা- নিয়ে কথা বলা কি বাধা?
উত্তর : সেটা নয়। এটাকে বাধা বলব না। আপনি আমার সমালোচনা করেন, কোনো কথা নেই। আমাকে নিয়ে কথা বলেন সমস্যা নেই; কিন্তু আপনি জনগণের মাঝে প্যানিক সৃষ্টি করবেন না। আপনি কিন্তু বলছেন যে, ডেসটিনি উধাও হয়ে চলে যাচ্ছে। এখন কথা হচ্ছে, যখনই আপনি বলবেন, ডেসটিনি উধাও হয়ে চলে যাচ্ছে তখন কোনো একজন হার্টের রোগী আছে, সে এই নিউজটা দেখার পরই হার্টফেল করতে পারে। আমি আমার অবস্থানে বসে আছি, আমি এত বড় স্টাবলিশমেন্ট দিলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিপোর্ট অনুযায়ী ৩ হাজার ৩ কোটি টাকার মালিক, তাহলে আমি কোথায় চলে যাচ্ছি। আমার তো ম্যাক্সিমাম সম্পদই স্থাবর, আমি কি বাগান নিয়ে দৌড় দিতে পারব। আমি বিল্ডিং নিয়ে চলে যেতে পারব, আমি কি জমি নিয়ে চলে যেতে পারব? কোনোটাই নিয়ে যেতে পারব না।
মানি লন্ডারিংয়ের কথা বলা হয়_ টাকা ওঠাতে গেলে তো সোর্স লাগে, আমি সিস্টেম করেছি আমাদের কোনো পরিচালক ৫ লাখ টাকার বেশি ওঠাতে পারবে না, আরো ঝামেলা আছে, ব্যাংক থেকে ফোন করে স্যার ৫ লাখ টাকার চেক আসছে। দিব কি-না। এতগুলো যেখানে চেকপোস্ট সেখানে আপনি কীভাবে ধারণা করেন কেউ ১ কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে যাবে। এত সহজ না।
শেষ প্রশ্ন : যদি আপনি না থাকেন যেটা আগেও বলেছি তাহলে ডেসটিনি কীভাবে চলবে? আমরা চাই আপনি দীর্ঘজীবী হোন।
উত্তর : এটা যদি আজ থেকে ৫ বছর আগে বলতেন, রফিকুল আমীন আপনি না থাকলে কি হবে? তখন বলতাম হয়তো বা বন্ধ হয়ে যাবে; কিন্তু এখন ডেসটিনি কিন্তু ৫ বছরের শিশু নয়। সে কিন্তু ১২ বছরের কিশোর। আমি কথাটা চিন্তা করেছিলাম আজ থেকে কয়েক বছর আগে যে মানুষ মরণশীল। যে কোনো সময় মারা যেতে পারে। আমি যে যত্ন করে এত সুন্দর প্রতিষ্ঠান গড়ছি, আমি যদি এটা সবার সঙ্গে শেয়ার না করি তাহলে কি হবে? তখন আমি উদ্যোগ নিয়েছি যে, সিস্টেম। এখন ডেসটিনি সিস্টেমে চলে। রফিকুল আমীন না থাকলে যেটা হবে যে সেলসটা হয়তো কিছুটা কমে আসবে; কিন্তু আবার দাঁড়িয়ে যাবে। আমি যে সিস্টেম দিয়েছি এয়ার প্লেনের মতো। এয়ার প্লেন কখনো পাইলটের ওপর নির্ভরশীল নয়। একজন পাইলট বাদ দিলে আরেকজন পাইলট প্লেনটাকে নিয়ে যাবে; কিন্তু জানতে হবে কিভাবে প্লেনটা চালাতে হয়। এ জন্য আমি অনেক ডুপ্লিকেশন তৈরি করেছি। শুধু আমার ডিস্ট্রিবিউটর নয়। সারা বাংলাদেশের মানুষকে বলতে চাই, ডেসটিনিকে যদি সঠিকভাবে সাপোর্ট দেওয়া হয়, ঞযরং পড়সঢ়ধহু পধহ ভঁষভরষষ ঃযব ফৎবধস ড়ভ ইধহমধনধহফযঁ ঝযবরশয গঁলরনঁৎ জধযধসধহ. উনি যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, প্রত্যেকটি মানুষের জন্য মোটা কাপড়, দু’বেলা ভাত হবে, একটা ছাদ হবে। আমরা অলরেডি উদ্যোগ নিয়েছি ২০২০ সালের মধ্যে ডেসটিনি এনসিউর করবে যে, ছাদবিহীন একটা লোকও থাকবে না। কেউ রাস্তায় ঘুমাবে না। এটা আমাদের নতুন কমিটমেন্ট। সোনার বাংলা আমরা যেটা স্বপ্ন দেখেছি সেটা সম্ভব।
কিন্তু আপনি যদি একটা প্রতিষ্ঠানকে কনটিনিউ করতে বাধা দেন এবং তাকে যদি হ্যামারিং করেন তাহলে সময় কিন্তু নষ্ট হবে। আপনাকে একটা জিনিস বুঝতে হবে। আপনি রাস্তা দিয়ে হাঁটছেন, একটা লোক আপনাকে বাধা দিচ্ছে। তাহলে আপনাকে আগে বাধা ঠেলতে হবে, তারপর যেতে হবে।
এখন বাধাটা কেন দিচ্ছেন? আমি কার সঙ্গে প্রতারণা করছি? আমি তো কারো কাছ থেকে কোনো অর্থ নেইনি। সবই তো লেনদেন। শুধু মাত্র মাল্টিপারপাসের মাধ্যমে কিছু শেয়ার নেওয়া আছে। আমিও কিনেছি। সবাই কিনেছে, আমরা বিনিয়োগ করেছি।
আমি আপনাকে বলি, আপনি রিপোর্টের দিকে খেয়াল করেন, রিপোর্টে বলা হয়েছে_ ২০০৯ সালে আমাদের সম্পদের পরিমাণ ছিল ২৩ কোটি। ২০১০ সালে ৫০০ কোটির উপরে। ২০১১ সালে ৩ হাজার কোটি টাকার উপরে। এটা কেমন যেন স্ববিরোধী রিপোর্ট। তারাই বলছে, ৫০০ থেকে ৩ হাজার কোটি, আবার তারল্য সংকট হবে। অর্থাৎ তারল্য সংকট হলে যে ২০-২৫টি কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেছি সেখান থেকে দু’একটা কোম্পানি বেচে দিব, তারল্য সংকট আমার হবে না।
কারণ আমি চাইলে ১ মাসের মধ্যে লিকুইডিটি করে নিতে পারি; কিন্তু আমি কেন বিনিয়োগ করলাম। ধরেন আজকে আপনি যে জমিটা কিনছেন ১ লাখ টাকা শতক, দেখুন ২ বছর পর তা কোথায় যায়। আমরা তো ওয়াইজ ডিসিশন নিয়েছি, আমরা যদি এই টাকাগুলোকে এফডিআর করে সুদ খেতাম তাহলে দুইটা ভুল হতো_ একদিকে সুদ খাওয়া হতো এবং অন্যদিকে আমরা বিপদে পড়তাম। কারণ ১৫ শতাংশ ইন্টারেস্টে কোনো একটা কোম্পানি চলতে পারে না। সে জায়গায় আমরা কী করেছি? বিনিয়োগ করেছি- এগ্রিকালচার, ফরেস্ট্রি, রিয়্যাল এস্টেটে। আগামীতে আরো বড় বড় ইনভেস্টে যাচ্ছি। আমরা তো বলেছি, আমদের যদি সরকারের পিপিপি প্রোগ্রামগুলোতে সুযোগ দেওয়া হয় তাহলে, ডেসটিনি সাকসেসফুলি ইউজ করে ডাবল ডিজিট জিডিপি বাস্তবায়ন সম্ভব। আমি স্বপ্ন দেখি ২০২০ সালের মধ্যে এটা সম্ভব এবং সিঙ্গেল ডিজিটে সুদের হার নামিয়ে আনাও সম্ভব।
এটা একমাত্র করতে পারবে ডেসটিনি। তার প্রমাণ বা কারণ ডেসটিনি ১১ বছরে যত লোকের কর্মসংস্থান করেছে, বাংলাদেশের কোনো একটা প্রতিষ্ঠান তা ৪০ বছরেও পারেনি।
আমার জনগণের কাছে ওয়াদা, ডেসটিনি কর্তৃক বাংলাদেশে শুধু নয়, পৃথিবীর কোনো একটা দেশের একটা লোকও ১ টাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। এবং আপনারা নিশ্চিত থাকুন ডেসটিনি কোনোদিন বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করবে না।

ডেসটিনি প্রতারণা করে না

ডেসটিনি প্রতারণা করে না

ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আমীন
বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় ডেসটিনি-২০০০ লিঃ ও এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান নিয়ে যেসব
বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক
মোহাম্মদ রফিকুল আমীন বৈশাখী টেলিভিশনে ‘গ্রামীণ জিরো আওয়ার’ অনুষ্ঠানে (শনিবার মধ্যরাতে) সেসব বিষয়ে বিশদ বক্তব্য দিয়েছেন। ডেসটিনির ডিস্ট্রিবিউটর, পত্র-পত্রিকার অগণিত পাঠক এবং
এ ব্যাপারে জানতে উৎসুক সাধারণ মানুষের জন্য তাঁর সে বক্তব্য তুলে ধরা হল।
প্রশ্ন : এমএলএম ব্যবসা কিভাবে পরিচালিত হয়? পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে বিশেষ করে সার্কভুক্ত দেশগুলোতে আইন দ্বারা এ ব্যবসা পরিচালিত হয় কি না?
উত্তর : আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আসলে ব্যবসার মূল নামটা হচ্ছে ডিরেক্ট সেলিং। ডিরেক্ট সেলিংয়ের একটি উপশাখা হচ্ছে এমএলএম। আরেকটি শাখা হচ্ছে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং। এছাড়া ডোর-টু-ডোর মার্কেটিং, টেলিমার্কেটিং, ই-কমার্স_ এসব কিছু মিলিয়েই একটি ইন্ডাস্ট্রি। যাকে বলা হয় ডিরেক্ট সেলিং। ডিরেক্ট সেলিং অ্যাক্ট পৃথিবীর কমবেশি সবদেশেই রয়েছে। সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে আমার জানা মতে ভারতে ডিরেক্ট সেলিং অ্যাক্ট সরাসরি না থাকলেও এসআরও একটি সার্কুলার আছে। কিভাবে এটা করতে হবে তার গাইডলাইন আছে। আমাদের কাছাকাছি দেশের মধ্যে মালয়েশিয়াতে ডিরেক্ট সেলিং আইন রয়েছে। ১৯৯৩ সালে মালয়েশিয়াতে এ আইন পাস হয়। তবে ১৯৭১-৭২ সালের দিকে মালয়েশিয়াতে ডিরেক্ট সেলিং শুরু হয়। ডিরেক্ট সেলিং মার্কেটিং শুরুর ২৩ বছর পর সে দেশে এই আইন তৈরি হয়। কারণ ডিরেক্ট সেলিং আইনটা বিভিন্ন দেশের সামাজিক ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে করতে হয়। আমেরিকায় ডিরেক্ট সেলিং আইন এখানে করলে হবে না। এখানকার লোকের (বাংলাদেশের) যে ধরনের গ্রহণযোগ্যতা আছে সেভাবে ডিরেক্ট সেলিং অ্যাক্ট করতে হবে। মূলত এটা এক ধরনের ই-কমার্স ট্রেডিং, ই-টেলিং_ আমি বলব এটা সরাসরি বিপণন ব্যবসা। এটা নতুন কিছু না। পুরনো জিনিসকে নতুন মোড়কে তুলে ধরা। আমরা এক সময় সুপারমার্কেট দেখেনি; কিন্তু এখন মেগা মল, সুপার মল দেখা যায়। আমরা দেখেছি দোকান_ চার রাস্তার মোড়ে কয়েকটি দোকান মিলে একটা হাট বসত। তারপর বাজার হল। বাজার থেকে বিল্ডিংয়ের ভেতর ঢুকে মল হল। সেখানে এখন কতরকমের ব্যবসা। এখন যদি কেউ জিজ্ঞেস করে আগে দোকানদারি হতো রাস্তার পাশে, এখন সুপার মল হচ্ছে_ সরকার এর জন্য কোনো নীতিমালা করবে কি না? এটা কিন্তু একটা হাস্যকর প্রশ্ন হবে। কারণ ওটার নীতিমালার কিছু নেই। একই ব্যবসা করছে_ বাইরে যে লোক করছে_ ভেতরেও সেই লোক একই ব্যবসা করছে। পার্থক্য হচ্ছে অবকাঠামোর। আগে ওটা ছিল টাইপরাইটারের মতো, এখন হয়ে গেছে ল্যাপটপের মতো। তখন যেমন আপনি ব্যবসা করতে গেলে আগে টাইপরাইটার দিয়ে টাইপ করতেন, এখন ল্যাপটপ দিয়ে টাইপ করেন। এখন এটার জন্য আলাদা করে সরকারের কাছ থেকে যেমন অনুমতির প্রয়োজন নেই, অং ষড়হম ধং ুড়ঁৎ ঃুরহম ঃবীঃ নঁঃ ঃযবংব যধং ঃড় নব ংধসব রেগুলেশন। যেমন টাইপরাইটার এক ধরনের ডিউটি দিয়ে আসছে; কিন্তু কম্পিউটার ওভাবে দেবে না। হার্ডওয়্যারের ক্ষেত্রে একটা পার্থক্য থাকতে পারে। আসলে মূল ফাংশন কিন্তু একই।
প্রশ্ন : এমএলএম বা নেটওয়ার্কিং ব্যবসার আইনগত ভিত্তি কি বাংলাদেশে আছে?
উত্তর : সরাসরি এমএলএম নীতিমালা বলতে কিছু নেই। যেটা আছে তাহল বেশ কয়েকটি কোম্পানি জয়েন্ট স্টক থেকে আমি ডিরেক্ট সেলিং করব, মাল্টিলেভেল মার্কেটিং করব_ এ ধরনের কিছু অনুমতি নিতে পেরেছে। আবার অধিকাংশ কোম্পানি পারেনি। জয়েন্ট স্টক ওভাবে দেখে দেয়নি। তারা বলছে আপনারা নরমাল ট্রেডিং লিখে দিয়ে যান। কিন্তু এতে করে একটা সমস্যা তৈরি হয়েছে। এতে করে ঢ ণ ত/ যে কেউ মুদি দোকানদারও কালকে কিন্তু ডিরেক্ট সেলিং করতে নেমে যাবে। এতে করে এই ইন্ডাস্ট্রির যে ভালো দিকটা আছে এটা না দেখে মানুষ খারাপ দিকটা দেখা শুরু করবে। কারণ ওই জিনিসটা যেমন আপনাকে একটা ধারণা দেয়_ যেমন ক্ষুর। আমরা দেখি ক্ষুর দিয়ে নাপিত শেভ করে। কিন্তু মজার ব্যাপার হল, নাপিত ক্ষুর চালাতে জানে বলে ওটা শেভ হয়; কিন্তু আনাড়ি লোক যদি চালাতে যায় তাহলে গলা কেটে যাবে। সেক্ষেত্রে কিন্তু ক্ষুরের দোষ নয়। তাহলে ক্ষুরটা যেহেতু সার্প জিনিস, এটা ব্যবহার করার জন্য কাকে এটার ক্ষমতা দেয়া যাবে সেটা দেখতে হবে। নাপিত যদি ক্ষুর চালায় আপনি চালাতে দেবেন; কিন্তু কোনো একজন লোক এসে যদি বলে আমি আপনার শেভ করে দিই আপনি রাজি হবেন না। কারণ সে আপনার গলা কেটে ফেলবে। ঠিক আমি বলব মাল্টিলেভেল মার্কেটিং বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বলুন এটা এক ধরনের ক্ষুরধার বিপণন ব্যবস্থা। এটা যদি ঢ ণ ত_ সবাইকে করতে দেওয়া হয় তাহলে এখানে কিন্তু সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে অনেক বেশি লোক। রাতারাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
প্রশ্ন : তাহলে কি ডেসটিনি একেবারে পারমিশন ছাড়া বা সরকারের অনুমতি ছাড়া কাজ করছে?
উত্তর : না, আমাদের কিছু অনুমতি আছে। আমরা যখন ২০০০ সালে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক থেকে করে নেই ক্লজ নাম্বার-৯; পরিষ্কার আমরা পারমিশন নিয়েছি। এভাবে লেখা আছে_ মাল্টিলেভেল মার্কেটিং বা ডিরেক্ট মার্কেটিং বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা যিধঃংড়বাবৎ, আমরা এভাবে দেশি অথবা বিদেশ থেকে আমদানি করা পণ্য বিপণন করতে পারব কমিশন বেইজড। আমরা নিতে পেরেছি। কিন্তু পরবর্তীকালে অনেক কোম্পানি এ ধরনের সুযোগ পায়নি। কথা হচ্ছে এটা, যখন আমাদেরকে এই অনুমতিটা দেয় জয়েন্ট অব স্টক, আমার ধারণা তখন তারাও জানে না আমরা কিসের অনুমতি নিচ্ছি, এটা সত্য কথা। এখানে আমরা যেহেতু বিদেশ থেকে দেখে এসে আমি এবং মোহাম্মদ হোসাইন এটা শুরু করি, তখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে কোনোরকম চালাকি করব না, প্রতারণা তো দূরের কথা। গতানুগতিক ব্যবসা, সেটা পারমিট করে, সেটার আদলে আমরা করব। অর্থাৎ আমাদের এখানে কেউ যদি কোনো পণ্য কিনতে আসে সে যেন এটা ফিল করে যে আমি বাইরেও যা সার্ভিস পেয়েছি, এখানেও সেই সার্ভিস পাচ্ছি। পার্থক্য হচ্ছে আমাকে একটা কমিশন দেওয়া হচ্ছে। আমি কমিশনটা কিভাবে দিতে পারি, যেহেতু আমার গতানুগতিক শোরুম, মিডলম্যান নেই, বাড়তি খরচ নেই, আমি এক জায়গা থেকে ওয়ান পয়েন্ট সেলস সেন্টার থেকে বিক্রি করছি। আপনি যদি একটু পেছনে তাকিয়ে দেখেন এক সময় কিন্তু এমএলএমের আদলে বেচাকেনা হতো। আপনার কসকো বা কাসকো ব্যাটারি বা সাবান ঘরে রেখে বিক্রি করত। আমার বড় ভাই করত আমি দেখেছি। কিন্তু এটাকে তখন কেউ বুঝেনি_ ওঃ রং ধ শরহফ ড়ভ উরৎবপঃ সেলিং। মনে করা হতো এটা জবঃধরষরহম, নঁঃ রঃ রং ধ উরৎবপঃ ঝবষষরহম. উরৎবপঃ ঝবষষরহম-এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ভোক্তা ও সরবরাহকারী এ দুইয়ের মাঝখানে কোনো দালাল থাকতে পারবে না এবং ভোক্তা কি এনজয় করবে? সে পণ্যটা এনজয় করবে। এবং তার একটা রাইটস্ তৈরি হবে পণ্যটার গুড সার্ভিস পাওয়ার। এরপর এমএলএমে যেটা বাড়তি যোগ করা হয়েছে সেটা গতানুগতিক ব্যবসায় নেই। সেটা হচ্ছে তাকে ওই যে পণ্যটা তার কাছে বিপণন করা হয়েছে সেটার ওপরে যেটা লাভ হয়, ওই লাভের একটা অংশ যেমন ১০% তাকে দেওয়া হচ্ছে।
প্রশ্ন : ডেসটিনি আসলে কতবড় প্রতিষ্ঠান? এর সঙ্গে কতজন ব্যবসা করছেন, কতগুলো প্রতিষ্ঠান প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষাভাবে ডেসটিনির বিনিয়োগে পরিচালিত হয় এবং এর মধ্যে কতগুলো লাভজনক?
উত্তর : ডেসটিনি শুরু হয়েছে ২০০০ সালে, যদিও রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ২০০১ সালে। ডেসটিনি-২০০০ লিঃ নামে ২০০১ সালে যাত্রা শুরু করে, যেটাকে আমরা এখন এমএলএম কোম্পানি বলছি। আসলে এমএলএম কেন হয়েছে এ জিনিসটা আপনাকে বলি। এটা একটা কমপ্লিকেটেড টার্ম। এটা হচ্ছে এই_ আমরা যেমন কথার কথা বলি পানি খান। পানি কিন্তু খাওয়া যায় না। পান করতে হয়। এটাকে আমরা ইংরেজিতে বলি জেনারেলি এক্সসেপটেড মিসটেক। মানে যদিও এটা মিসটেক তবে জেনারেলি এক্সসেপটেড। পানি যেমন খাওয়া হচ্ছে, যে কোনো ব্যবসাকেও এমএলএম বলা হচ্ছে। আমাদের কোম্পানি কিন্তু এমএলএম কোম্পানি নয়। এটা হচ্ছে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং কোম্পানি। আপনি এখন প্রশ্ন করবেন, তাহলে এমএলএম কোম্পানি ও নেটওয়ার্ক মার্কেটিং কোম্পানির পার্থক্য কি? বিশাল পার্থক্য আছে। এমএলএম কোম্পানি হল সাধারণত তারা করে মাল্টিলেভেলে। তাদের মাঝখানে কিন্তু ব্রোকার ঠিকই আছে। তারা কেবলমাত্র তাদের উৎপাদিত পণ্য ও তাদের ব্র্যান্ডের পণ্য ছাড়া ঢ ণ ত কারো পণ্য বিপণন করতে বাধ্য নয় এবং করেও না। কিন্তু এমএলএমে আমি যেটা দেখেছি কাস্টমারের জন্য সমস্যা যেটা হয়- যেহেতু পণ্যটা ওই কোম্পানি ছাড়া অন্য কোনো কোম্পানি উৎপাদন করে না, সে জন্য কাস্টমার গেইজ করতে পারে না এই পণ্যের বাজার দর কত হতে পারে। তাই যা-ই দাম হাঁকানো হয় সেই দামেই কাস্টমার নিতে বাধ্য হয়। তাতে করে দেখা গেছে, আমি একটু পিওর সমালোচনা করব। অনেক এমএলএম কোম্পানি দেখা গেছে_ খুব বেশি উৎসাহী হয়ে পণ্যটার দাম যদি হয় ১০ টাকা বিক্রি করা শুরু করে ১০০ টাকায়। কারণ ৫০ টাকার একটা কমিশন দেবে এই লাভে। তাই এমএলএম কোম্পানিগুলো যখন পণ্যগুলো বাজারজাত করে বোঝার উপায় নেই এটার প্রকৃত উৎপাদন মূল্য কত। ইঁঃ যিধঃ রং হবঃড়িৎশ মার্কেটিং? নেটওয়ার্ক মার্কেটিং হচ্ছে সে তার নিজের ব্র্যান্ডও বিক্রি করতে পারবে, চাইলে সে অন্যের ব্র্যান্ডও বিক্রি করবে। তাহলে হবে কি কম্পিটিশন তৈরি হবে। মনে করুন, আমি ল্যাপটপ বিক্রি করি। এখন আমি যদি ডেসটিনির ল্যাপটপের পাশাপাশি সনির ল্যাপটপ রাখি এটলিস্ট কাস্টমারের জাজ করার ক্ষমতা তৈরি হবে যে ল্যাপটপের দামটা আসলে কত? তো মনে করেন আমি বিক্রি করছি ২০ হাজার টাকায়, তাহলে সে বুঝবে ল্যাপটপের দাম এর কমই হবে। তার মানে আমি বেটার প্রাইসে পাচ্ছি। কারণ আমি সনি কিনতে গেলে ১ লাখ টাকা খরচ পড়ে। ইঁঃ ধঃষবংঃ তার একটা কমনসেন্স তৈরি হবে ল্যাপটপের দাম কত। মনে করেন ল্যাপটপ পৃথিবীর কেউ তৈরি করে না। আমি একাই তৈরি করি। আমি যদি ১০ লাখ টাকায়ও একটা ল্যাপটপ বিক্রি করি ভোক্তার কিছু বোঝার উপায় নেই আমি কত লাভ করলাম।
যে কারণে এমএলএমের ধারাবাহিকতায় ব্যবসা করাতে আমার আপত্তি ছিল। তাই আমি এমএলএম থেকে বেরিয়ে গেলাম নেটওয়ার্ক মার্কেটিংয়ে। নেটওয়ার্ক মার্কেটিং কি? আমি এমন এমন পণ্য বিপণন করব যেটা বাজারে প্রচলিত অন্য পণ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকবে। তাই আমি এমএলএমের খুব সমালোচনা করছি না, আমি বলছি এমএলএমের পণ্যগুলোকে কাস্টমারের পক্ষে অনুধাবন করা মারাত্মক রকমের জটিল, বরং নেটওয়ার্কে এটা সুবিধা।
প্রশ্ন : ডেসটিনির আসলে কতগুলো সহযোগী প্রতিষ্ঠান আছে এবং কতগুলো লাভজনক?
উত্তর : ডেসটিনি শুরু করেছিল ২০০১ সালে একটি কোম্পানি দিয়ে। তারপর পরবর্তীকালে ২০০৩, ২০০৪ সালে আরো দুটি কোম্পানি করি। এরপর ২০০৬ সালে গিয়ে সাকসেসফুলি ডেসটিনি ট্রি প্ল্যানটেশন এবং পরবর্তীকালে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস করতে পারি এবং আমাদের এ কোম্পানিগুলো করার পেছনে একটি সৎ উদ্দেশ্য ছিল। সেটা হচ্ছে আমরা জানি শুধু একটা কোম্পানির আয়ের ওপর একটি প্রতিষ্ঠান টিকতে পারে না। ইংরেজিতে একটা কথা আছে, ঘবাবৎ ঢ়ঁঃ ুড়ঁৎ ধষষ ধৎব রহ ড়হব নধংশবঃ. ইবপধঁংব রভ ুড়ঁ ষড়ংং ঃযব ধমব, নধংশবঃ, ণড়ঁ ষড়ংং ঃযব ধমব. অপঃঁধষষু ংঢ়রৎরঃ ুড়ঁৎ ধমব. অমব মানে বুঝাতে চাইছি সময়টাকে বা পরিশ্রমটাকে। চিন্তা করলাম আমরা যদি সমস্ত পরিশ্রমটাকে একটা কোম্পানির পেছনে দিই আর আল্লাহ না করুন যদি কোনো কারণে ফেল করে এই বিশাল জনগোষ্ঠী কোথায় যাবে। তাই তাদের স্বার্থকে রক্ষা করার জন্য আমরা ধীরে ধীরে ডাইভারসিফিকেশন করা শুরু করলাম। এই ডাইভারসিফিকেশনগুলোর কিন্তু আমাদের একটা সামাজিক দায়বদ্ধতা ছিল। সামাজিক দায়বদ্ধতা কি আমরা শুধু এমএলএম করব না। আমরা ঈঝজ করব। আমরা সেবামূলক প্রতিষ্ঠান করব। আমরা বনায়ন করব, পরিবেশ রক্ষা করব। আমরা রাস্তাঘাট করব, আমরা কলেজ করব, আমরা ইউনিভার্সিটি করব। আমরা হাসপাতাল করব। আমরা শপিংমল করব। এই জিনিসগুলো কোনোটাই কিন্তু এমএলএমকে সফল করার জন্য নয়।
আমরা আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে করেছি যে, শুধু একটি কোম্পানি করে আমরা সেপারেট হতে চাই না। এ জন্য আমরা অন্য ব্যবসা করছি। এতে হচ্ছে কি, এতগুলো কোম্পানির মধ্যে মনে করেন আমরা এখন পর্যন্ত ৩৭টি কোম্পানি করেছি; কাগজে-কলমে। কেন বললাম কাগজে-কলমে, ১৬ থেকে ১৭টি কোম্পানির জন্ম হয়েছে লেস দেন ওয়ান ইয়ার। গত এক বছরে ১৬ থেকে ১৭টি কোম্পানি কেন করলাম। এই ১৬ থেকে ১৭টি কোম্পানির কাগজপত্র ঠিক করে রেখেছি। যদি ঙঢ়ঢ়ড়ৎঃঁহরঃু আসে তাহলে সেখানে আমরা বিনিয়োগ বাড়িয়ে সেটাতেও ড্রাইভ দেব। উদ্দেশ্য হচ্ছে আমরা যদি ৩০ থেকে ৩৫টি কোম্পানিতে বিনিয়োগ করি। আর ২০টি কোম্পানি যদি প্রফিট করে ডব ধৎব ফড়হব. আপনি বুঝবেন কৃষক যখন সে জমিতে চাষ করে একই ধরনের ফসল সে করে না। বিভিন্ন রকমের করে। তার চিন্তা একটা না একটা আসবেই।
প্রশ্ন : কিছু অভিযোগ আছে যে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হচ্ছে কিছু ব্যক্তিকে আর্থিক সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে। কিছু কিছু নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হচ্ছে?
উত্তর : না, এটা আসলে ভুল তথ্য। আপনাকে একটা জিনিস বুঝতে হবে। আমরা কিন্তু একটা জিনিস বলি আগে তারা কিন্তু পরিবেশক, আমাদের কোনো গ্রাহক নেই। এখানে একটা রং টার্ম ব্যবহার করা হচ্ছে। গ্রাহক যার বিক্রেতার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। আমাদের এখানে কোনো গ্রাহক নেই, আমাদের এখানে সবাই হচ্ছে রিসপেকটেবল ডিিিস্ট্রবিউটর। এরা প্রত্যেকে পরিবেশক এবং প্রত্যেকের স্বার্থ আমার স্বার্থের সঙ্গে জড়িত। ডব ধৎব ড়িৎশরহম রহ ধ পড়সসড়হ রহঃবৎবংঃ পড়সসড়হ ৎরমযঃ. এখন কি হচ্ছে, আমরা পরিবেশকদের তাদের ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করার জন্য। আমরা যখন কোম্পানি করি তখন কোনো পরিবেশকের কাছ থেকে টাকা নেইনি। আমরা কাকে অফার করেছি, যারা এক্সজিসটিং ডিরেক্টর আছে তাদেরকে বলেছি যেহেতু আপনারা যারা আয় করেছেন, আরেকবার এখানে বিনিয়োগ করেন। তার মানে আপনি বুঝতেছেন যে, যে কোনো বিনিয়োগ এসেছে উদ্যোক্তাদের পকেট থেকে। ব্যবসা থেকে কিন্তু কোনো টাকা দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ ব্যবসা তো আপনার রোলিং করছে। আমরা যে কোম্পানিগুলো করেছি, আজকে ধরেন আমি যদি মোহাম্মদ হোসাইনের কথা বলি, মোহাম্মদ হোসাইন এখান থেকে বছরে ৩/৪ কোটি টাকা আয় করছেন। এখন আমি চিন্তা করলাম ৩/৪ কোটি টাকা উনি যদি অন্য জায়গায় খরচ করেন তাহলে আমি উনার জন্য অ্যাফোর্ড দিলাম কেন? আমি উনাকে আরেকটি কোম্পানির ডিরেক্টর বানাই। তাহলে ওহফরৎবপঃষু আমি উনার টাকাগুলোকে জব-রহাবংঃ করিয়ে দিলাম। আমার এই কৌশলটা হচ্ছে এ জন্য যে, আমরা এখন লাভ খাব না, দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা করছি। যদি ওই প্রতিষ্ঠানগুলো লাভজনক অবস্থায় যায় তাহলে কিন্তু পরিবেশকরাও লাভবান হবেন। এখানে একটা রং কথাবার্তা চলছে। পরিবেশকের টাকা দিয়ে কোম্পানি করছি। এটা কোনোদিনই সম্ভব না। কারণ পরিবেশক তো পণ্য কিনে নিয়ে চলে যাচ্ছে। তারপর তো সে আমাকে বাড়তি টাকা দিচ্ছে না। সুতরাং কোম্পানি সব উদ্যোক্তার নিজস্ব পয়সায় করা।
প্রশ্ন : বাংলাদেশে যেটা হচ্ছে সেটা হচ্ছে যে, জিজিএন, ইউনিপে টু ইউ-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ আছে সেইগুলোর সঙ্গে ডেসটিনির পার্থক্য কোথায় এবং ডেসটিনি যে ব্যবসা করছে সেটাও কি প্রতারণা করছে?
উত্তর : আপনাকে একটা কথা বলি। প্রতারণা কিন্তু একটা বোনাফাইড প্ল্যান। কেউ যদি প্ল্যান করে আমি মানুষকে প্রতারণা করব, সেটা হচ্ছে প্রতারণা। মনে করেন যে, কেউ পরীক্ষা দিতে গিয়ে নকল করছে এটা কিন্তু প্রতারণা। কিন্তু পরীক্ষা দিতে গিয়ে সে যদি ফেল করে এবং সে যদি লেখাপড়া না করায় রেজাল্ট খারাপ হয় আপনি বলতে পারবেন না শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। বেতন নিয়েছে কিন্তু কিছুই শেখায়নি। এটা কিন্তু ফেল। ফেল অ্যান্ড ফল্ট সম্পূর্ণ আলাদা টার্ম কিন্তু। যেমন মনে করেন আমি আপনাকে এই প্রসঙ্গে একটা ঊীধসঢ়ষব দিই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতি বছর বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভালো রেজাল্ট করছে ১০০ ভাগ। আবার বহু প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে ছাত্র ফেল করে বেশিরভাগ। আপনি শব্দটা ফেল বলবেন না ফল্ট বলবেন? এখন পর্যন্ত যতগুলো এমএলএম কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছে, ইনটেনশনালি কোনো প্রতারণা করা হয়নি। ইনটেনশন কথাটা বললাম এ জন্য যে, তাদের ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার জন্য যখন প্রতিষ্ঠানটি এক জায়গায় এসে বন্ধ হয়ে গেছে তখন ভোক্তা-পরিবেশকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধরুন, আজকে যদি জিজিএন টিকে থাকত তাহলে আজকে ইতিহাসটা কিন্তু ভিন্নভাবে লেখা হতো। তাহলে জিজিএনকে কিন্তু প্রতারণাকারী কোম্পানি বলা যেত না। আমি কিন্তু জিজিএনের একজন ভোক্তা-পরিবেশক ছিলাম। আমি নিজে বলতে পারি তারা আসলে ইনটেনশনালি প্রতারণা করেনি। তারা ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে কাজটি করতে পারেনি। তারা অদক্ষ লোক দিয়ে ব্যবস্থাপনা করেছে। যারা মাল্টিলেভেল মার্কেটিং ও ডিরেক্ট সেলিং বোঝে না তাদেরকে এনে প্রশাসনিক বিভাগে বসিয়েছে। তারা মানির মিস ম্যানেজমেন্ট করেছে। এতে করে মানি শর্টেজ হয়েছে। সেল পড়ে গেছে। পত্র-পত্রিকায় লেখা হয়েছে। তাতে করে তাদের ওভারহেড যেটা আছে বেতন দেওয়া, সেটা কিন্তু চালু ছিল। তাতে করে একসময় গিয়ে অর্থ সংকট হয়েছে। একপর্যায়ে গিয়ে জিজিএন আর পয়সা দিতে পারেনি। আপনি কি জানেন, জিজিএন কত টাকার জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, তখন যদি তাদের কাছে ২ কোটি টাকা থাকত তারা বন্ধ হতো না।
প্রশ্ন : ডেসটিনির সবচেয়ে আলোচিত প্রতিষ্ঠান ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হচ্ছে তারা কো-অপরারেটিভ কিছু কাজ করছে ব্যাংকের মতো। তারা টাকা-পয়সা নিচ্ছে, জমাচ্ছে, দীর্ঘমেয়াদে শেয়ার বিক্রি করছে, এর সঙ্গে ব্যাংক, স্টক মার্কেটে তারল্য সংকট হচ্ছে। এটাকে আপনি কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন?
উত্তর : প্রথম কথা হল তারল্য তো বলছেন। এই প্রতিষ্ঠানটি জন্ম থেকে এ পর্যন্ত তারা ১৬০০ থেকে ১৭০০ কোটি টাকার লেনদেন করলই না। বাজারে যেখানে হাজার হাজার কোটি টাকার দরকার হয় তারল্যের জন্য। সেখানে মাত্র ১৬০০ থেকে ১৭০০ কোটি টাকা লেনদেনের জন্য মার্কেটে তারল্য কমে গেল। গত বছর জুন মাসে আমার কাছে ৭/৮টি ব্যাংক এসেছিল ইনক্লুডিং গভর্নমেন্ট ব্যাংক। বলেছিল কিছু ফিক্সড ডিপোজিট রাখেন। আমি জানতে চেয়েছিলাম ব্যাপারটা কি? বলে যে শেয়ার মার্কেটের ওপর অর্থ তারল্যে ঘাটতি হয়েছে। আমার কথা হল, তারল্য সংকট কেন হয়েছে সবাই জানে। পুঁজিবাজারে মন্দা অবস্থা। শেয়ার বিজনেসে ধস নেমেছে। আরো অনেক কিছুই আছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। আন্তর্জাতিক বাজারে মন্দা, আপনি বলতে চাচ্ছেন ডেসটিনি মাল্টিপারপাসের কারণে তারল্য সংকট হয়েছে, তাহলে প্রতিবেশি দেশগুলোতে কেন হল? তাদেরও তো তারল্য সংকট। তাহলে এর জন্য ডেসটিনি দায়ী নাকি? এটা জাস্ট হচ্ছে কি আমাদের ওপর সেটা- উদোর পি-ি বুধোর ঘাড়ে চাপানো হচ্ছে। এটা তেমন- ওই যেমন বাঘ ও মেষ শাবকের গল্পের মতো। বাঘ বলছে মেষ শাবককে, কেন তুমি পানি ঘোলা করছ? মেষ শাবক বলছে, পানি তো আপনার দিক থেকে আসছে, আমি ঘোলা করলাম কিভাবে? তাহলে তুমি গত বছর আমাকে গালি দিয়েছ। মেষ শাবক বলছে গত বছর আমার জন্ম হয়নি। তাহলে তোমার বাবা গালি দিয়েছে। ঠিক এ ধরনের বাহানা করে আমাদের ঘাড়ে কিন্তু দোষ চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যেই দোষের ভাগিদার আমরা নই। আমরা ১৬০০ থেকে ১৭০০ কোটি টাকার যে শেয়ার লেনদেন করেছি, এর বড় অংশ কিন্তু স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তিতে বিনিয়োগ করেছি।
প্রশ্ন : বাংলাদেশ ব্যাংক তো বলেছে আপনারা বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়াই ব্যাংকিং করছেন?
উত্তর : আমরা কোনো ব্যাংকিং করছি না, এটা হল সবচেয়ে বড় কথা। কারণ আমাদের ব্যাংকিং করার কোনো রাইট নেই। আমরা শেয়ার নয়, সমবায় আইন আমাদের সভ্যদের কাছে শেয়ার বিক্রি করার অধিকার দিয়েছে। যেমন আমি, গোফরান আরো যারা সভ্য তারা শেয়ার কিনেছি। এটা করার অধিকার সরকারই দিয়েছে। কিন্তু যেটা বলা হচ্ছে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ব্যাংকিং করা হচ্ছে, এটা অসম্ভব।
প্রশ্ন : দীর্ঘমেয়াদে মানুষের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন ৫ বছর ৭ বছরে ডাবল করে দেওয়া হবে বলে?
উত্তর : মানুষের কাছ থেকে নয়। সেটা হল আমাদের এখানে কিছু লাইসেন্স দেওয়া আছে এইভাবে যে, এই প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনার বা অর্থ লেনদেন করার। যারা ডেসটিনির সঙ্গে জড়িত ভোক্তা-পরিবেশক, যাকে মানুষ বলছেন তার ব্যাক ফ্ল্যাশটা কিছু আপনি জানেন না। তারা-কিন্তু আমাদের ডিস্ট্রিবিউটর। আমাদের টোটাল ডিস্ট্রিবিউটর সংখ্যা কত, দেখেন প্রায় ৪৫ লাখ। আর কো-অপারেটিভের সদস্য সংখ্যা সাড়ে ৬ লাখ। তাহলে ৪৫ লাখ লোকের মধ্যে থেকে মাত্র সাড়ে ৬ লাখ লোক এসে কো-অপারেটিভের শেয়ার কিনেছে। বাইরের মানুষ কোথায় থেকে এল? আরেকটি ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে যাচ্ছে। সেটা হল ৩৮ লাখ লোকের থেকে আমানত নিয়েছি। আমাদের মেম্বারই হল সাড়ে ৬ লাখ। আমার কথা হচ্ছে, আমাদের ওপর যে অভিযোগ চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে এটা তো ভুল। এটা তো ঠিক না।
প্রশ্ন : বাংলাদেশ ব্যাংকের রিপোর্ট ঠিক নয়?
উত্তর : অসম্ভব।

দুঃখ যেন সফলতার জন্য শক্তি স্বরূপ

দুঃখ যেন সফলতার জন্য শক্তি স্বরূপ

মাহবুবা সুমি

প্রত্যেকটি মানুষের জীবনে দুঃখ আছে। দুঃখ ছাড়া কোনো মানুষ নেই। যত বড় সুখী মানুষই হোক না কেন সে কোনো না কোনো মানুষ থেকে কষ্ট পাবেই। আর কষ্ট বা দুঃখ এটা কি কোনো বস্তুগত জিনিস? আমার মতে এটা অনুভূতি এবং এটা এমনই একটি অনুভূতি যা নিজে থেকে আসে না। আমাদের না বোধক চিন্তাধারা কষ্টটাকে বারবার মনে করে কাঁদে এবং হৃদয়ে স্থান দেয়। তবে অভিভাবকরা সব সময় বাচ্চাদের কষ্ট পেতে দেন না এবং কাঁদতেও দেন না। আমি মনে করি বাচ্চাদের কাঁদতে না দেয়াটা বোকামি। কারণ কষ্ট হল সফলতার হাতিয়ার। যে জিনিসের জন্য সে কাঁদবে বা যে কষ্ট মনে করে কাঁদবে সেই জিনিস পাওয়ার আগ্রহ তাকে কাজের গতি বাড়িয়ে দেবে। এই সূত্রটি ছোট-বড় সবার জন্য প্রযোজ্য এবং সবার জন্য প্রায় সমান। এটা আমার বেলায় বহুবার হয়েছে। রাগ বা অভিমান করলে কাজের গতি এবং সফলতার আকাঙ্ক্ষা বেড়ে যায় এবং সফলতা তখন হাতের কাছে চলে আসে। দুঃখটা আপনার কাছে কষ্টদায়ক হলেও তাকে গ্রহণ করুন এবং অনুভূতিতে নিন এবং কাঁদুন। আপনি কষ্ট পাচ্ছেন কিন্তু কাঁদতে পারছেন না, এটা আপনার শরীর ও মনের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে। তাই শব্দ করে কাঁদুন। চোখ থেকে জল ঝরান পারলে হাউমাউ করে কাঁদুন, দেখবেন শরীর ও মন হালকা হয়ে গেছে। তখন কাজে মন বসবে এবং কাজ সহজ হবে। মনোবিজ্ঞানীরা রাসায়নিক প্রমাণ ছাড়াই অনেক আগে থেকেই বিশ্বাস করে আসছেন, কষ্ট যে ধরনেরই হোক না কেন সে সমস্যার সঙ্গে জড়িত সৃষ্ট টেনশনকে বের করে দেয় কান্না। মনোবিজ্ঞানী প্রফেসর ফ্রেডরিক ফ্লেচ বলেন যে, মানসিক চাপ ভারসাম্য নষ্ট করে। আর কান্না ভারসাম্য পুনরুদ্ধার করে। কান্না সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমকে মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দেয়। না কাঁদলে সেই মানসিক চাপ শরীরেই থেকে যায়। নগর সভ্যতা আমাদের দুঃখজনিত আবেগ বা কান্না প্রকাশে সর্বদা বাধা দিয়ে এসেছে। তাদের ধারণা হচ্ছে কান্না এক প্রকার অভদ্রতা। আর তাই আমরা শুধু কান্নাকেই চেপে রাখি না, এর সঙ্গে সঙ্গে ভয়, উৎকণ্ঠা ও ক্রোধ সব কিছুকেই চেপে রাখতে চেষ্টা করি। যা আমাদের দেহে টক্সিন বা বিষাক্ত অণু সৃষ্টিতে সহায়তা করে। অথচ কান্না সম্পূর্ণভাবে এক মানবীয় গুণ। কান্না শরীরকে সুস্থ করে অনুভূতি ও মমত্বকে আকর্ষণ করে এবং কান্নার জল মমতা বাড়ায়। যে মমতা মানুষকে মানুষ করেছে। তাই আপনার জীবনের প্রতিটি দুঃখজনক বিষয়ই সফলতার এক একটি পথ।

ডেসটিনি আমাকে স্বপ্ন দেখিয়েছে

ডেসটিনি আমাকে স্বপ্ন দেখিয়েছে

মুহিবুল মুরসালিন

প্রতিভা মানুষের মাঝে সুপ্তাবস্থায় থাকে, যা কোনো কিছুর সাহচর্যে এলে প্রস্ফুটিত হয়। আর তখনই মানুষ জেগে ওঠে। তবে মানুষের এই প্রতিভা বিকাশ ঘটে ক্ষেত্র বিশেষ স্থানকালপাত্র ভেদে। পিএসডি মুহিবুল মুরসালিনের প্রতিভার বিকাশ ঘটে ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর সাহচর্যে এসে। ডেসটিনিই তাকে স্বপ্ন দেখিয়েছে। যে স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য তিনি অবিরাম গতিতে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ১৯৬৪ সালের ১ আগস্ট শরীয়তপুর জেলার ভেদেরগঞ্জ থানার চরকুমাইরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মরহুম মো. শহিদুল ইসলাম, মা মরহুম সফুরা খাতুন। শিক্ষা জীবনে তিনি ঢাকা কলেজ থেকে ১৯৮০ সালে এইচএসসি পাস করেন।
বিবাহিত জীবনে তিনি ১ মেয়ে ও ২ ছেলের জনক। তার স্ত্রী নাজমা বেগম ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর নেটওয়ার্ক মার্কেটিং পেশায় জড়িত এবং ২ সাইকেল অর্জন করেছেন। তার মেয়ে শায়মা শবনম মিরপুর কমার্স কলেজে বিবিএ অধ্যয়নরত। পাশাপাশি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় জড়িত। তিনি এ ব্যবসা করে সুখে আছেন।
তিনি ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর ডাইরেক্ট সেলিং পেশায় আসেন ২০০১ সালে। যখন এ কোম্পানি মাত্র হাঁটতে শিখেছে। তবে তিনি নানা প্রতিকূলতার কারণে গত প্রায় ৫ থেকে ৬ বছর পর্যন্ত এ পেশা থেকে দূরে ছিলেন। এরপর তিনি আবার বর্তমান ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর কর্পোরেট মেম্বার জাকির হোসেন কিসলুর তত্ত্বাবধানে ফিরে আসেন এবং তারই অনুপ্রেরণায় নতুনভাবে কাজটি শুরু করেন। সে থেকে অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে কাজটি করে স্বল্প সময়ের মধ্যেই ২০১১ সালে ৫১১ স্টেটমেন্টে পিএসডিশিপ অর্জন করেন। তার এই পিএসডি হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা ছিল তার তত্ত্বাবধায়ক জাকির হোসেন কিসলুর। তিনি বহুদিন পর হলেও এ পেশায় এসেছেন কেন জানতে চাইলে বলেন, এ পেশায় এসেছি আমার জীবনের স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য। তিনি আরো বলেন, তিনি এ পেশায় এসেছেন আরো কয়েকটি বিশেষ কারণে। আর তা হচ্ছে, এ পেশায় স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ আছে। অপরকে সহযোগিতা করা যায় এবং আনলিমিটেড আয় করা সম্ভব, যা অন্য কোনো পেশায় সম্ভব নয়। তাছাড়া এ পেশায় একটা স্থায়ী আয়ের সুযোগ রয়েছে, যা একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সঠিকভাবে কাজ করতে পারলে বাকি জীবনে সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্যের নিশ্চয়তা দেয়। অথচ এ পেশায় তেমন কোনো ঝুঁকির সম্ভাবনা নেই। এই অফারগুলো বুঝতে পারেননি বিধায় এ ব্যবসা থেকে এতদিন দূরে ছিলেন। এখন বুঝতে পেরেছেন বলে নির্দ্বিধায় এ পেশাকে জীবনের একমাত্র পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন।
এ পেশায় একজন মানুষ কিভাবে সফল হতে পারে? জানতে চাইলে বলেন, এ পেশায় সফল হতে হলে এ ব্যবসার কনসেপ্ট বুঝতে হবে এবং এজন্য যথেষ্ট প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। কোম্পানির কার্যক্রমে আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে। নিজের প্রতি কনফিডেন্স থাকতে হবে। স্ব স্ব আপলাইনকে গুরু মেনে তার সফল নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। নিয়মিত টিম মিটিং করতে হবে। ডাইরেক্ট সেলিং সংক্রান্ত বিভিন্ন সভা, সেমিনার ও ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করতে হবে। এ সংক্রান্ত বই-পুস্তক পড়ে পড়ে এম.এল.এম. কর্মী হিসেবে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। তাছাড়া মনের মধ্যে একটি স্বপ্ন লালন করতে হবে এবং তা বাস্তবায়নের চেষ্টা থাকতে হবে। এ পেশায় সফল হতে হলে নিজের ইচ্ছাই যথেষ্ট। ইচ্ছা না থাকলে এখানে কেন কোথাও সফল হওয়া সম্ভব নয়।
এখনো এদেশের কিছু মানুষ নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসাকে বাঁকা চোখে দেখেন। এ ব্যাপারে তার মন্তব্য কি জানতে চাইলে বলেন, এ দেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে ট্র্যাডিশনাল ব্যবসার কনসেপ্ট বুকে লালন করে আছে। যে কারণে ডাইরেক্ট সেলিং ব্যবসার কনসেপ্টকে স্বাগত জানাতে পারছেন না বিধায় বাঁকা চোখে দেখছেন। তাদেরকে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসার কনসেপ্ট বুঝতে হবে। যে দায়িত্বটি আমরা যারা ডাইরেক্ট সেলিং ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তাদেরই পালন করতে হবে। তাহলেই তারা এ ব্যবসার প্রতি অনুপ্রাণিত হবে। শুধু তাই নয়, দলে দলে এ ব্যবসায় সম্পৃক্তও হবে। আর আমি মনে করি সেই সময়টি এখন এসে গেছে। সঙ্গত কারণেই ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর সদস্যসংখ্যা ৫০ লাখের ওপরে। আমি মনে করি এ ব্যবসাটি অদূর ভবিষ্যতে এ দেশের ট্র্যাডিশনাল ব্যবসার স্থানটি দখল করে নিতে সক্ষম হবে। সেদিন ডাইরেক্ট সেলিং ব্যবসা হবে এ দেশের প্রচলিত ব্যবসা। ডাইরেক্ট সেলিং ব্যবসা নিশ্চিত করবে আমাদের লাইফস্টাইল। তার ভবিষ্যৎ স্বপ্ন কি জানতে চাইলে বালেন, আমার ভবিষ্যৎ স্বপ্ন হচ্ছে আমি ২০১৩ সালের মধ্যে ডায়মন্ড এক্সিকিউটিভ হবো এবং ২০১৫ সালের মধ্যে ক্রাউন অ্যাম্বাসেডর হবো। অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন হওয়ার পর সমাজের জন্য এ কাজ করায় নিজেকে প্রস্তুত করব। আমার ইচ্ছা অন্যান্য সামাজিক কর্মকা-ের পাশাপাশি কোরআন ও বিজ্ঞান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করব। যেখানে দেশের বরেণ্য ব্যক্তিরা গবেষণার সুযোগ পাবে। পাশাপাশি যে প্রতিষ্ঠান আমার জীবনকে আলোকিত করেছে সে প্রতিষ্ঠানের জন্য আমি আমার জীবন বিলিয়ে দেব। যাতে এদেশের প্রতিটি মানুষ নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসা করে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। নিজের অর্থনৈতিক মুক্তির পাশাপাশি দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে। তাছাড়া আমার এলাকার অভাবী মানুষের জন্য ছোটখাটো করে হলেও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব। যেখানে কাজ করে অসহায় মানুষ একটু ভালো থাকবে। আর সেটা করব ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর সহযোগিতায়। তাই আমার সাকসেস লাইনের প্রতি পরামর্শ আপনারা এ পেশায় যখন এসেই গেছেন খুবই ভালো করেছেন। সুতরাং সবাইকে অবশ্যই সফল হতে হবে। আর এই সফলতার মাধ্যমে দেশ ও জাতির উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে। সে লক্ষ্যে মন-প্রাণ দিয়ে ডেসটিনিকে ভালোবেসে কাজ করতে হবে। এ পেশাকে একান্তই নিজের পেশা মনে করে এগিয়ে যেতে হবে। মনে রাখতে হবে, ডেসটিনির মাধ্যমে এ দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আমাদেরই আনতে হবে। তবেই ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর প্রয়াস সার্থক হবে।
গ্রন্থনা : আবুল হোসেন খান

বনায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ডেসটিনি-২০০০ লিঃ

বনায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ডেসটিনি-২০০০ লিঃ

জিন্নাত আরা বিনতে আজির

প্রাকৃতিক ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের ভূমিকা যেমন ব্যাপক ও সুদূরপ্রসারী, তেমনি সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়নেও এর গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবেশের ভারসাম্য ও সুষম জলবায়ুর প্রয়োজনে একটি দেশের মোট আয়তনের অন্তত ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা আবশ্যক। দেশের অর্থনৈতিক ও বিভিন্ন প্রয়োজন মেটাতেও পর্যাপ্ত বৃক্ষ থাকা প্রয়োজন। বৃক্ষহীনতার কারণে পৃথিবীর নতুন নতুন অঞ্চল মরুভূমি হয়ে পড়েছে। বৃক্ষ মানবজীবনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। আমাদের জীবন-জীবিকার জন্য বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। গাছ অক্সিজেন, মাটির ক্ষয়রোধ, পানি ধারণ করে মাটিকে সতেজ রাখে। জীববৈচিত্র্য রক্ষা, মানুষ, পশু পাখির খাদ্য, পুষ্টি ও রোগ নিরাময়ে ভেষজ ওষুধ ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে বনায়নের ভূমিকা অপরিসীম। সেই আদিকাল থেকেই গাছের শিকড়, কা-, পাতা, ফুল-প্রাণী জীবন রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। এছাড়া গাছ জমির উর্বরতা শক্তি বাড়ায় ও বৃষ্টিপাতের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে। ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে বিপুল জনগোষ্ঠীর ব্যবহার্য কাঠ, জ্বালানি, বাসস্থান ও চাষযোগ্য ভূমির ক্রমবর্ধমান চাহিদা নিরসনে নির্বিচার বৃক্ষনিধনে ধীরে ধীরে উজাড় হচ্ছে বনাঞ্চল। প্রয়োজনের তুলনায় দেশে বনভূমি না থাকায় দেশের পরিবেশ আজ মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন। পাহাড়ি এলাকা ও চরাঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে পতিত ভূমি রয়েছে। দেশের সম্পদ সীমিত হলেও সম্ভাবনা বিশাল। পতিত ভূমিকে সম্পদে পরিণত করতে প্রয়োজন যথাযথ পরিকল্পনা, কারিগরি কৌশল ও সঠিক বাস্তবায়ন। অব্যবহার্য ওই সব এলাকায় পরিকল্পিতভাবে অনায়াসেই বনজ, ঔষধি ও ফলদ গাছের বাগান গড়ে তোলা যায়। এতে করে জীববৈচিত্র্য রক্ষাসহ বেকার যুবসমাজের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক মুক্তিও লাভ হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে বৃক্ষরোপণ সম্প্রসারণের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন ও জাতীয় উন্নয়ন করা সম্ভব। এমন পরিস্থিতিতে বনজসম্পদ রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে রয়েছে। এর মধ্যে ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর ট্রি প্ল্যান্টেশন শীর্ষে। কল্পনার সবুজ বনায়নকে বাস্তবে রূপ দিতে সাধ ও সাধ্যের মধ্যে ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর পরিকল্পিত ৩টি ট্রি প্ল্যান্টেশন প্যাকেজ প্রকল্প আজ বাস্তবায়ন হচ্ছে।