প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি ‘৪৫ লাখ পরিবারকে সর্বনাশের হাত থেকে বাঁচান’

প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি
‘৪৫ লাখ পরিবারকে সর্বনাশের হাত থেকে বাঁচান’

ডেসটিনি রিপোর্ট
ডেসটিনির ৪৫ লাখ ক্রেতা, পরিবেশক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সর্বনাশের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে স্মারকলিপি প্রদান করেছে ডেসটিনি ডিস্ট্রিবিউটর ফোরাম। ফোরামের ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ স্মারকলিপি প্রদান করে।
স্মারকলিপিতে ডেসটিনি গ্রুপের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়া, শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং ডেসটিনির ডিস্ট্রিবিউটদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার আবেদন জানানো হয়। ডেসটিনির প্রতিনিধিদলের এ স্মারকলিপি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিনিধি গ্রহণ করেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা আন্দোলনের মধ্যদিয়ে যখন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন, তখন তা অনেকেই বিশ্বাস করতে চাননি। বরং বঙ্গবন্ধুর ওপর জেল-জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন করা হয়েছে।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নই জয়ী হয়েছে_ জন্ম লাভ করেছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।
স্মারকলিপিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রেখে বলা হয়, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় আমাদের কি স্বপ্ন দেখার এবং তা বাস্তবায়নের অধিকার নেই? এ প্রশ্ন রেখেই আজ আমরা আমাদের সব দায়-দায়িত্ব আপনার ওপর অর্পণ করলাম। মহান আল্লাহর রহমত এই যে, আপনি আমাদের ন্যায়পরায়ণ নেত্রী, আমাদের অভিভাবক। কেবল আপনার মহানুভব হস্তক্ষেপই পারে আমাদের ৪৫ লাখ পরিবারকে এই সর্বনাশের হাত থেকে রক্ষা করতে।
প্রায় দুই পৃষ্ঠার স্মারকলিপিতে আন্তর্জাতিকভাবে এমএলএম ব্যবসা এবং বাংলাদেশে এ ব্যবসার ভবিষ্যৎ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোকপাত করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাতে উল্লেখ করা হয়, ডেসটিনি গত ১২ বছর ধরে যে ব্যবসা করে আসছে তা এমএলএম (মাল্টিলেভেল মার্কেটিং) নামে পরিচিত। এর পক্ষে ও বিপক্ষে নানা যুক্তিতর্ক থাকলেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ ব্যবসা বিদ্যমান। বহু দেশে এ ব্যবসার আইনি কাঠামোও রয়েছে। তাই ডেসটিনি কর্তৃপক্ষ তাদের ব্যবসার শুরু থেকেই এ ব্যবসার আইন প্রণয়নের আহ্বান জানিয়ে আসছে।
এমএলএম আইন প্রণয়নে সরকারি উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে স্মারকলিপিতে বলা হয়, সরকার এ বাস্তবতা উপলব্ধি করে দেশে এমএলএম আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, এ জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এ উদ্যোগের কারণে দেশের কোটি কোটি মানুষের দোয়া আপনি কুড়িয়েছেন, যা আপনি নিজেও জানেন না। এ উদ্যোগে আবারো প্রমাণ হয়েছে, আপনি জনগণের নেত্রী। দেশরত্ন।
স্মারকলিপির একটি অংশে দেশের গণমাধ্যমের একটি অংশের সমালোচনা করে বলা হয়, গণমাধ্যমের একটি অংশ তাদের হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্যে এমএলএম ব্যবসাকে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরে ডেসটিনির বিরুদ্ধে ক্রমাগত অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে দুর্নীতি দমন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভুল বুঝে ডেসটিনির পরিচালনা পর্ষদসহ জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপকদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের হয়রানিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। কিন্তু আমরা যারা ডেসটিনির সঙ্গে গত এক যুগ ধরে কাজ করছি, সেই ৪৫ লাখ মানুষের মধ্যে একজন ব্যক্তিও ডেসটিনির বিরুদ্ধে কোথাও কোনো অভিযোগ দায়ের করেননি।
স্মারকলিপিতে আরো উল্লেখ করা হয়, ডেসটিনির বিরুদ্ধে নানাবিধ অপপ্রচার দেখে প্রাথমিক পর্যায়ে আমাদের মনে হয়েছে, অপপ্রচারকারীদের এমএলএম ব্যবসা ও ডেসটিনি সম্পর্কে ধারণা অল্প, অস্বচ্ছ ও অস্পষ্ট। আমরা অনুভব করেছি, ডেসটিনি আসলে কী করে এবং কীভাবে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে, সে সম্পর্কে তাদের স্পষ্ট ধারণা নেই। তারা কিছুতেই এই মহান ব্যবসার গুণাগুণ বুঝতে পারবেন না। অথচ ডেসটিনির কর্মকা- যারা বুঝতে চান না অথবা ডেসটিনি কোটি লোকের কর্মসংস্থান করুক- এটি যারা চান না, সেইসব লোকের অপপ্রচারই প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। কিন্তু আমরা ডেসটিনির কোনো ডিস্ট্রিবিউটর এ অপপ্রচারে বিশ্বাস করি না। এমনকি তর্কের খাতিরেও তা মানি না। তারপরও আমরা গত সাত মাস ধরে চুপচাপ ছিলাম। ডেসটিনি গ্রুপের সকল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ থাকায় গত সাত মাস ধরে আমরা বেতন-ভাতা, কমিশন_ কোনো কিছুই পাইনি। আমাদের সচ্ছল পরিবারগুলো চোখের সামনে ধীরে ধীরে দারিদ্র্যে ডুবে যাচ্ছে। তারপরও আমরা কিছুই বলিনি। ভেবেছি_ তদন্ত, অধিকতর তদন্ত এবং উপর্যুপরি তদন্ত শেষে আইনি প্রক্রিয়ায় আমাদের মুক্তি মিলবে। কিন্তু সর্বশেষ যে অবস্থা দাঁড়িয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে কোনো একটি বিশেষ মহল ডেসটিনি ধ্বংসের জন্য মরিয়া। তাদের লক্ষ্য যে কোনো মূল্যে ডেসটিনিকে নিশ্চিহ্ন করা। কিন্তু আমরা আর বসে থাকতে পারছি না। আজ আমরা ৪৫ লাখ ডিস্ট্রিবিউটর অস্তিত্ব রক্ষার ফরিয়াদ নিয়ে আপনার দরবারে হাজির হয়েছি। আল্লাহর ওয়াস্তে আপনি আমাদের রক্ষা করুন।
ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ে স্মারকলিপিতে বলা হয়, ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প দিয়ে এদেশের কেউ কেউ অর্থনৈতিক মুক্তির স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষের সার্বিক আর্থিক এবং সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব বলে আমরা মনে করি না। আমরা মনে করি, সমবায় ভিত্তিতে সংগৃহীত সম্মিলিত সম্পদ উৎপাদনমুখী লাভজনক খাতে কাজে লাগিয়ে বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থায় টিকে থাকা ও উন্নয়ন সম্ভব। এ লক্ষ্যেই আমাদের এমএলএম ব্যবসা। এমএলএম আমাদের স্বপ্ন।
ডেসটিনি ডিস্ট্রিবিউটর ফোরামের আহ্বায়ক এ কে এম সফিউল্লাহ, সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল মামুন, শাহ আলম, রাজীব মিত্র ও সিরাজাম মুনির এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।

http://www.dainikdestiny.com/index.php?view=details&type=main&cat_id=1&menu_id=1&pub_no=435&news_type_id=1&index=1

প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি

ডেসটিনি রিপোর্ট
ডেসটিনির ৪৫ লাখ ক্রেতা, পরিবেশক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সর্বনাশের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে স্মারকলিপি প্রদান করেছে ডেসটিনি ডিস্ট্রিবিউটর ফোরাম। ফোরামের ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ স্মারকলিপি প্রদান করে।
স্মারকলিপিতে ডেসটিনি গ্রুপের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়া, শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং ডেসটিনির ডিস্ট্রিবিউটদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার আবেদন জানানো হয়। ডেসটিনির প্রতিনিধিদলের এ স্মারকলিপি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিনিধি গ্রহণ করেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা আন্দোলনের মধ্যদিয়ে যখন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন, তখন তা অনেকেই বিশ্বাস করতে চাননি। বরং বঙ্গবন্ধুর ওপর জেল-জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন করা হয়েছে।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নই জয়ী হয়েছে_ জন্ম লাভ করেছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।
স্মারকলিপিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রেখে বলা হয়, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় আমাদের কি স্বপ্ন দেখার এবং তা বাস্তবায়নের অধিকার নেই? এ প্রশ্ন রেখেই আজ আমরা আমাদের সব দায়-দায়িত্ব আপনার ওপর অর্পণ করলাম। মহান আল্লাহর রহমত এই যে, আপনি আমাদের ন্যায়পরায়ণ নেত্রী, আমাদের অভিভাবক। কেবল আপনার মহানুভব হস্তক্ষেপই পারে আমাদের ৪৫ লাখ পরিবারকে এই সর্বনাশের হাত থেকে রক্ষা করতে।
প্রায় দুই পৃষ্ঠার স্মারকলিপিতে আন্তর্জাতিকভাবে এমএলএম ব্যবসা এবং বাংলাদেশে এ ব্যবসার ভবিষ্যৎ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোকপাত করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাতে উল্লেখ করা হয়, ডেসটিনি গত ১২ বছর ধরে যে ব্যবসা করে আসছে তা এমএলএম (মাল্টিলেভেল মার্কেটিং) নামে পরিচিত। এর পক্ষে ও বিপক্ষে নানা যুক্তিতর্ক থাকলেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ ব্যবসা বিদ্যমান। বহু দেশে এ ব্যবসার আইনি কাঠামোও রয়েছে। তাই ডেসটিনি কর্তৃপক্ষ তাদের ব্যবসার শুরু থেকেই এ ব্যবসার আইন প্রণয়নের আহ্বান জানিয়ে আসছে।
এমএলএম আইন প্রণয়নে সরকারি উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে স্মারকলিপিতে বলা হয়, সরকার এ বাস্তবতা উপলব্ধি করে দেশে এমএলএম আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, এ জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এ উদ্যোগের কারণে দেশের কোটি কোটি মানুষের দোয়া আপনি কুড়িয়েছেন, যা আপনি নিজেও জানেন না। এ উদ্যোগে আবারো প্রমাণ হয়েছে, আপনি জনগণের নেত্রী। দেশরত্ন।
স্মারকলিপির একটি অংশে দেশের গণমাধ্যমের একটি অংশের সমালোচনা করে বলা হয়, গণমাধ্যমের একটি অংশ তাদের হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্যে এমএলএম ব্যবসাকে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরে ডেসটিনির বিরুদ্ধে ক্রমাগত অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে দুর্নীতি দমন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভুল বুঝে ডেসটিনির পরিচালনা পর্ষদসহ জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপকদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের হয়রানিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। কিন্তু আমরা যারা ডেসটিনির সঙ্গে গত এক যুগ ধরে কাজ করছি, সেই ৪৫ লাখ মানুষের মধ্যে একজন ব্যক্তিও ডেসটিনির বিরুদ্ধে কোথাও কোনো অভিযোগ দায়ের করেননি।
স্মারকলিপিতে আরো উল্লেখ করা হয়, ডেসটিনির বিরুদ্ধে নানাবিধ অপপ্রচার দেখে প্রাথমিক পর্যায়ে আমাদের মনে হয়েছে, অপপ্রচারকারীদের এমএলএম ব্যবসা ও ডেসটিনি সম্পর্কে ধারণা অল্প, অস্বচ্ছ ও অস্পষ্ট। আমরা অনুভব করেছি, ডেসটিনি আসলে কী করে এবং কীভাবে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে, সে সম্পর্কে তাদের স্পষ্ট ধারণা নেই। তারা কিছুতেই এই মহান ব্যবসার গুণাগুণ বুঝতে পারবেন না। অথচ ডেসটিনির কর্মকা- যারা বুঝতে চান না অথবা ডেসটিনি কোটি লোকের কর্মসংস্থান করুক- এটি যারা চান না, সেইসব লোকের অপপ্রচারই প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। কিন্তু আমরা ডেসটিনির কোনো ডিস্ট্রিবিউটর এ অপপ্রচারে বিশ্বাস করি না। এমনকি তর্কের খাতিরেও তা মানি না। তারপরও আমরা গত সাত মাস ধরে চুপচাপ ছিলাম। ডেসটিনি গ্রুপের সকল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ থাকায় গত সাত মাস ধরে আমরা বেতন-ভাতা, কমিশন_ কোনো কিছুই পাইনি। আমাদের সচ্ছল পরিবারগুলো চোখের সামনে ধীরে ধীরে দারিদ্র্যে ডুবে যাচ্ছে। তারপরও আমরা কিছুই বলিনি। ভেবেছি_ তদন্ত, অধিকতর তদন্ত এবং উপর্যুপরি তদন্ত শেষে আইনি প্রক্রিয়ায় আমাদের মুক্তি মিলবে। কিন্তু সর্বশেষ যে অবস্থা দাঁড়িয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে কোনো একটি বিশেষ মহল ডেসটিনি ধ্বংসের জন্য মরিয়া। তাদের লক্ষ্য যে কোনো মূল্যে ডেসটিনিকে নিশ্চিহ্ন করা। কিন্তু আমরা আর বসে থাকতে পারছি না। আজ আমরা ৪৫ লাখ ডিস্ট্রিবিউটর অস্তিত্ব রক্ষার ফরিয়াদ নিয়ে আপনার দরবারে হাজির হয়েছি। আল্লাহর ওয়াস্তে আপনি আমাদের রক্ষা করুন।
ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ে স্মারকলিপিতে বলা হয়, ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প দিয়ে এদেশের কেউ কেউ অর্থনৈতিক মুক্তির স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষের সার্বিক আর্থিক এবং সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব বলে আমরা মনে করি না। আমরা মনে করি, সমবায় ভিত্তিতে সংগৃহীত সম্মিলিত সম্পদ উৎপাদনমুখী লাভজনক খাতে কাজে লাগিয়ে বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থায় টিকে থাকা ও উন্নয়ন সম্ভব। এ লক্ষ্যেই আমাদের এমএলএম ব্যবসা। এমএলএম আমাদের স্বপ্ন।
ডেসটিনি ডিস্ট্রিবিউটর ফোরামের আহ্বায়ক এ কে এম সফিউল্লাহ, সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল মামুন, শাহ আলম, রাজীব মিত্র ও সিরাজাম মুনির এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s