Archives

ডেসটিনির তিন শীর্ষ কর্মকর্তার মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তি দাবি

ডেসটিনি ডেস্ক

ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল হারুন-অর-রশিদ বীরপ্রতীক, চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ মোহাম্মদ হোসাইনের বিরুদ্ধে দুদকের দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবি জানিয়ে গতকাল দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। আমাদের ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর_
চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল হারুন-অর-রশিদ বীরপ্রতীক, চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ মোহাম্মদ হোসাইনসহ অন্য পরিচালকদের বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা মামলায় গ্রেফতারের প্রতিবাদ ও তাদের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রামের ডিস্ট্রিবিউটররা। ডেসটিনি ডিস্ট্রিবিউটর ফোরাম-ডিডিএফ চট্টগ্রামের উদ্যোগে নগরীর আগ্রাবাদে সিঙ্গাপুর মার্কেটের ডিএসটিসি হলে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ডায়মন্ড এক্সিকিউটিভ আবদুল মান্নান। সভায় ডেসটিনির শীর্ষ তিন কর্মকর্তাসহ অন্য পরিচালকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন ডায়মন্ড এক্সিকিউটিভ জাহাঙ্গীর আলম, রাজীব তালুকদার, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, সুমন বিশ্বাস, ফারুক আহমেদ, পিএসডি স্বরূপানন্দ রায়, মোহাম্মদ ইসমাইল, রাজীব দাস, অরূপ দে, মাকলেবুর রহমান নয়ন প্রমুখ।
সভায় আড়াই সহস্রাধিক ডিস্ট্রিবিউটরের উপস্থিতিতে টেলিকনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন আইডিয়াল অ্যাসোসিয়েটসের সিইএম এ কে এম শহীদুল হক বাবু।
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি জানান, ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট লে. জেনারেল হারুন-অর-রশিদ বীরপ্রতীক (অব.), চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ মোহাম্মদ হোসাইনের অবিলম্বে মুক্তি ও ডেসটিনির বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়ার দাবিতে গতকাল কুষ্টিয়ায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ডিডিএফ-কুষ্টিয়া জেলা শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পিএসডি মো. আসমান আলী। আব্দুল মোমিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাইফুর রহমান, এস এম জাফরী, পলাশ সেন, আবু সালেহ, সোহেল, রনি, হালিমা, আলেয়া, আরিফুর রহমান প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন কুষ্টিয়ার নেট ইনচার্জ মো. আনিসুজ্জামান।
ঝালকাঠি প্রতিনিধি জানান, ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট লে. জেনারেল হারুন-অর-রশিদ বীরপ্রতীক (অব.), চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ মোহাম্মদ হোসাইনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ঝালকাঠি ডেসটিনি ডিস্ট্র্রিবিউটর ফোরামের আহ্বায়ক পিএসডি মো. আউয়াল খান, সদস্য সচিব আনিসুর রহমান, ঝালকাঠি অফিস ইনচার্জ পপরিন নিশকাত মুক্তা, পিএসডি অ্যাডভোকেট আরিফুর রহমান, মো. অলিউল ইসলাম, ফারুখ হোসেন, আলী হায়দার তালুকদার, সিকান্দার কবির, লুৎফর রহমান, বিকাশ রায়, তৌহিদুল ইসলাম, কৃষ্ণপদ মজুমদার, সঞ্জীব রায়, ফয়সাল, মুক্তা, খুকু, খালেদা পারভীন প্রমুখ।
বাগেরহাট প্রতিনিধি জানান, ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট লে. জেনারেল এম. হারুন-অর-রশিদ বীরপ্রতীক (অব.), চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসাইনের মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবিতে বাগেরহাট জেলা ডিস্ট্রিবিউটর ফোরাম গতকাল শুক্রবার প্রতিবাদ সভা করেছে। ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর বাগেরহাট ব্রাঞ্চ অফিসের হলরুমে জেলা ডিস্ট্রিবিউটর ফোরামের আহ্বায়ক পিএসডি আলী আকবর মিন্টুর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পিএসডি খন্দকার আকমল উদ্দিন সাকী, এক্সিকিউটিভ তরিকুল ইসলাম, মোস্তফা কামাল, হীরক চন্দ্র ম-ল, সরদার রহমত আলী, মোল্লা আতাউর রহমান, আনিসুর রহমান প্রমুখ। সভায় অফিস এক্সিকিউটিভ শেখ আবদুল আল ইমরান, মো. মোস্তফা, নন্দদুলাল ম-ল, প্রদীপ ম-ল, শাওন মজুমদার, অমৃত লাল হালদার, শিমু আক্তার, রবিউল ইসলাম, মামুনসহ শতাধিক ডিস্ট্রিবিউটর উপস্থিত ছিলেন। এ সময় হলরুমে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। বক্তারা ডেসটিনি গ্রুপের সকল পরিচালকের মুক্তি ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়ার দাবি জানান। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন রফিকুল ইসলাম সোহেল।

Advertisements

অবশেষে মুখ খুললেন কারিনা

আজ আনন্দ ডেস্ক

কয়েক মাস চুপ থাকার পর অবশেষে মুখ খুললেন কারিনা কাপুর। কিছুদিন আগেও বিয়ে সংক্রান্ত প্রশ্ন সামনে এলেই উত্তর এড়িয়ে যেতেন। হিরোইন-এর প্রমোশন নিয়ে ব্যস্ত থাকার অজুহাত দিতেন করিনা। তবে বাস্তবে হিরোইন ছবিটি ব্যবসা আশানুরূপ না হওয়ায় এবার প্রচারে থাকার নতুন পথ অাঁকড়ে ধরলেন তিনি। একটি লাইফস্টাইল ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উন্মোচিত করলেন নিজের প্রণয় জীবনের কথা। কারিনা জানিয়েছেন, মাত্র দুই মাস ডেট করার পরই সাইফ তাকে প্রপোজ করেন। এরপরই নাকি দুজনের সিদ্ধান্তে কারিনার মা ববিতার সঙ্গে দেখা করেন সাইফ আলী খান। তার স্পষ্ট স্বীকারোক্তিতে সঙ্গেই সঙ্গেই রাজি হয়ে যান ববিতা। সেই রাতেই ব্যাগ গুছিয়ে সাইফের সঙ্গে চলে আসেন বেবো। তার প্রথম সাইফের প্রেমে পড়ার গল্পও খোলাখুলিভাবে জানিয়েছেন বেবো। তাশান ছবির শুটিং চলাকালীন সুইমিংপুলের ধারে সাইফকে সানবাথ নিতে দেখেই প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন কারিনা। বাকি ইতিহাস সবার জানা। নিজের হাতে ট্যাটু করে চিরকালের জন্য কারিনার নাম খোদাই করে নিয়েছেন সাইফ। আর এটাই কারিনার কাছে সব থেকে বড় পাওনা।

হলমার্ক টাকা ফেরত দেয়নি

হলমার্ক টাকা ফেরত দেয়নি
অর্ধেক অর্থ ফেরত দিতে সোনালী ব্যাংকের চিঠি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

সোনালী ব্যাংক থেকে অবৈধ উপায়ে হাতিয়ে নেওয়া অর্থের ৫০ শতাংশ নগদ অর্থ ১৫ দিনের মধ্যে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে ব্যাংক পরিচালনা পষর্দের দেওয়া চিঠির জবাব দেয়নি হলমার্ক গ্রুপ। গতকাল ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র মতে, ওই গ্রুপকে দেওয়া সোনালী ব্যাংকের চিঠির মেয়াদ গতকাল শেষ হয়েছে। এর মধ্যে এ চিঠির বিষয়ে গ্রুপের পক্ষ থেকে কোনো জবাব দেওয়া হয়নি। এর আগে হলমার্ক গ্রুপ সোনালী ব্যাংক থেকে নেওয়া অর্থ ফেরত দিতে ৩০ বছর সময় চেয়েছে। সূত্র মতে, এর আগে সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে এমডি তানভির মাহমুদ বলেছিলেন, গ্রুপের বন্ধ করে দেওয়া সব ব্যাংক হিসাব খুলে দিলে তিনি ব্যবসা করে আগামী ৩০ বছরের মধ্যে সব অর্থ ফেরত দেবেন।
সোনালী ব্যাংকের ডিজিএম ড. মো. হাফিজুর রহমান জানান, হলমার্ক গ্রুপ আমাদের চিঠির কোনো জবাব দেয়নি। এ বিষয়ে পরে কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবেন। এর আগে দুপুরে সোনালী ব্যাংকের এমডি ও সিইও প্রদীপ কুমার দত্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ে যান এ বিষয়ে পরবর্তী করণীয় জানতে। তবে ফিরে এসে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
গত ৩ সেপ্টেম্বর সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সদস্য পরিচালক কাসেম হুমায়ুন সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, আমরা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি, অভিযুক্ত গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ বলেছেন, তিনি সোনালী ব্যাংক থেকে যে অর্থ নিয়েছেন তার ২০ গুণ সম্পদ তার কাছে রয়েছে। তাই আমরা সোনালী ব্যাংক পর্ষদ অবৈধভাবে নেওয়া ২ হাজার ৬৬৮ কোটি ৩৮ লাখ টাকার পঞ্চাশ শতাংশ নগদ আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ফেরত দেওয়ার পরামর্শ বা অনুরোধ করেছি। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত একটি চিঠি হলমার্ক গ্রুপকে দেওয়া হবে। বাকি ৫০ শতাংশ অর্থের বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সোনালী ব্যাংকের বিধিবিধান মেনে এবং ব্যাংক গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে। এর আগে ওই গ্রুপকে ২৫ শতাংশ অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য বলা হয়েছিল। কিন্তু তিনি তাও মানেননি।
হলমার্ক গ্রুপ জালিয়াতি করে সোনালী ব্যাংক থেকে যে অর্থ নিয়েছে তা কোনোভাবেই ঋণ নয়। আমরা এটাকে ঋণ বলি না। এটাকে আমরা অবৈধভাবে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার কথা বলছি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওই গ্রুপের এমডি তো দুদিন পরই বলছেন, তার ঋণের বাকি অর্থ ফেরত দেবেন। কিন্তু এখন আর তার কথা আমরা শুনতে চাই না। আমরা সোনালী ব্যাংকের ইমেজ আর হাতিয়ে নেওয়া অর্থ কিভাবে ফেরত আনা যায় তা নিয়ে ভাবছি। সূত্র মতে, হলমার্ক গ্রুপ এখন পর্যন্ত ৪৬ দশমিক ৫ একর জমি ব্যাংকের কাছে মর্টগেজ দিয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী এ সম্পত্তির দাম ২ হাজার কোটি টাকা। সোনালী ব্যাংকের একটি টিম জমির মালিকানা স্বত্ব ও বাজারমূল্য যাচাই বাছাই করছে। হেমায়েতপুরে এ জমি রয়েছে। আরো ১৩ একর জমি তারা দেওয়ার প্রস্তাব করেছে, যার মূল্য ধরা হয়েছে ৬৫০ কোটি টাকা। রোববার দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের এমডি তানভীর বলেছিলেন, সোনালী ব্যাংক থেকে ২ হাজার ৬৬৭ কোটি টাকা ঋণ নিলেও এর বিশ গুণ সম্পদ বর্তমানে আমার আছে। এ টাকা আমি সময়মতো দিয়ে দেব। সরকার আমার ৭০-৮০টি প্রতিষ্ঠান খুলে দিলেই আমার ব্যবসায় স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে। তার এ বক্তব্যের পরই সোনালী ব্যাংক পরিচালনা পষর্দ এ চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

ওয়েবক্যাম ডেটিংয়ে প্রতারণার ফাঁদ!

ওয়েবক্যাম ডেটিংয়ে প্রতারণার ফাঁদ!

ডেসটিনি ডেস্ক

ওয়েবক্যাম ব্যবহার করে ভিডিও চ্যাটিং এখন বেশ জনপ্রিয়; কিন্তু অপরিচিত কারো সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ও অনলাইন ডেটিং সাইটগুলোতে এ ভিডিও চ্যাটিং বিপদের কারণ হতে পারে। সম্প্রতি বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ওয়েবক্যামে অনলাইন ডেটিংয়ের অর্থ এখন প্রতারণার ফাঁদে পা দেওয়া। বিবিসির প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, অনলাইনে ওয়েবক্যামে সুন্দরী তরুণী আর কথার ফাঁদে পড়ে ধোঁকা খাচ্ছে পুরুষরা। প্রতারণার ফাঁদে পা দেওয়া ব্যক্তিটিকে কথার জালে আটকে ফেলে ওয়েবক্যামের সামনে তাকে নিরাবরণ হতে বলে প্রতারকরা। তারপর সে ভিডিও প্রচার করার ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবি করে। ফ্রান্সে ওয়েবক্যামে এ ধরনের প্রতারণার ঘটনা এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। ফ্রান্সের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, তাদের কাছে প্রতিদিন এ ধরনের ঘটনার অভিযোগ আসে। তবে যত বেশি অভিযোগ পুলিশের কাছে আসে, তার চেয়ে বেশি ঘটনা আড়ালেই থেকে যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রতারণার শিকার ব্যক্তিটি এ ধরনের ঘটনা প্রকাশ করতে চান না। সম্প্রতি ফ্রান্সের ২৮ বছর বয়সী প্রতারিত এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন।

৪ হাজার কোটি টাকা তেমন কিছু নয় : অর্থমন্ত্রী [সোনালী ব্যাংক কেলেঙ্কারি]

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

সোনালী ব্যাংক-হলমার্ক কেলেঙ্কারি নিয়ে সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ৪ হাজার কোটি টাকা তেমন কোনো বড় অঙ্ক নয়। তিনি বলেন, বছরে যেখানে ৪০ হাজার কোটি টাকার মতো ঋণ আদান-প্রদান হয় সেখানে ৪ হাজার কোটি টাকা তেমন কিছু নয়। এ নিয়ে হইচই করারও কিছু নেই। দেশের ব্যাংক সেক্টর ধ্বংস হয়ে
গেছে_ সংবাদ মাধ্যম এমন প্রচারণা চালাচ্ছে। এতে দেশের ক্ষতি হচ্ছে, প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে সরকারকে।
তিনি আজ বুধবার মিডিয়াতে সোনালী ব্যাংকের অর্থ কেলেঙ্কারি বিষয়ে তথ্যনির্ভর বিবৃতি দেবেন। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে তার দফতরে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ভূমিকা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এভাবে সমালোচনার জবাব দেন অর্থমন্ত্রী। গোলটেবিলের আয়োজক ছিল ইউএসএআইডি, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), প্রগতি ও এমআরডিআই।
গোলটেবিল আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী। এতে শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান। ড. অনন্য রায়হানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূঞা।
বিশ্বব্যাংক, শেয়ারবাজার এবং সংবাদ মাধ্যমের কড়া সমালোচনা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংকের ইন্টিগ্রিটি সেকশন যেন একটি জিহাদি বিভাগ। এই বিভাগের সংশোধন দরকার। শেয়ারবাজারে যে দুর্নীতি হয়েছে তার বিরুদ্ধে কেউ দুদকে সাক্ষী দেন না অথচ রাস্তায় আন্দোলন করেন। দেশের সংবাদ মাধ্যমেরও সংস্কারের (রিফর্ম) দরকার আছে বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী।
গোলটেবিল বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, অর্থনীতির জন্য কালো টাকা একটি মারাত্মক সমস্যা। তবে কালো টাকা থাকবে এটাই বাস্তবতা। তিনি বলেন, দুর্নীতি দূর করতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খুবই ভালো একটি উপাদান। দুর্নীতি দমনে অর্থমন্ত্রী আজ থেকে ৫০ বছর আগের মাঠ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ৪ থাকাকালে নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন।
তিনি বলেন, ওই সময় কোনো একটি মহল্লা কিংবা গ্রামে একজন চোর কিংবা ডাকাতের বিরুদ্ধে জনসমক্ষে বিচার হত। এ নিয়ে কারো কাছে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছিল না। তবে সবাই জানত কে ডাকাত কিংবা চোর। এভাবে বিভিন্ন জনের সাক্ষ্য থেকে অভিযুক্ত অপরাধীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হত। আমি নিজেও এ ধরনের শাস্তি দিয়েছি। দুর্নীতি দমনে আমি এ ধরনের একটি পদ্ধতি চাই। শাস্তিস্বরূপ ওই অপরাধী প্রতি সপ্তাহে থানায় হাজিরা দিত। সেই সঙ্গে মধ্যরাতে ওই ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে দেখা হত সে বাড়িতে রয়েছে নাকি চুরি করতে গেছে।
তিনি বলেন, জেলায় জেলায় সবাই কথা বলে কিন্তু বাস্তবে সমর্থন পাওয়া যায় না। যেমন সমর্থন পাওয়া যায় না শেয়ারবাজারের ঘটনা নিয়ে দুর্নীতি দমনের সাক্ষীর ক্ষেত্রে। অনলাইন পেমেন্ট স্মার্ট কার্ড দুর্নীতি কমাতে সাহায্য করেছে বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।

 

চাঁদপুরে অপহরণের পর মেঘনায় নিক্ষেপ অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল শিশু রাকিব

মুক্তিপণের মোটা অংকের টাকা আদায়ের আশায় অপহরণ করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে ধরা পড়ার ভয় পায়। তাই চাঁদপুরের মেঘনার মোহনপুরে গত শক্রবার রাতে লঞ্চ থেকে নদীতে নিক্ষেপ করা হয়। কিন্তু অলৌকিকভাবে বেঁেচ যায় ৮ বছর বয়সী শিশু রাকিব হোসেন।
মতলব উত্তরের বোরোরচর এলাকার মেঘনা নদী থেকে অচেতন অবস্থায় জাহাঙ্গীর নামে এক জেলে রাকিবকে উদ্ধার করলে প্রাণে বেঁচে যায় সে। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কিছুটা সুস্থ হয়ে ওঠে। শিশু রাকিব তার ঠিকানা বলায় তার বাড়ি ফরিদগঞ্জের ঘোড়াশালা গ্রামে যোগাযোগ করা হলে রাকিবের পরিবার এসে তাকে নিয়ে যায়। পুলিশ অপহরণকারী জাফর হোসেনকে আটক করেছে। গতকাল রোববার তাকে আদালতে হাজির করলে ১৬৪ ধারায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দিতে সে ঘটনা স্বীকার করেছে। পরে জাফরকে জেলে পাঠানো হয়।
অপহরণকারী জাফর হোসেন পুলিশকে জানায়, উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয়নের ঘোড়াশালা গ্রামের প্রবাসী আবুল হাসেমের ছেলে রাকিব হোসেনকে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় সে কৌশলে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে ঢাকা নেয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। রাতে শিশু রাকিব তার মায়ের কাছে যাবে বলে বায়না ধরে চিৎকার শুরু করলে অবস্থা বেগতিক দেখে জাফর ধরা পড়ার ভয়ে রাকিবকে লঞ্চের পেছনে নিয়ে নদীতে ফেলে দেয়।
এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে রাকিবের পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজে না পেয়ে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে তল্লাশি ও এলাকায় মাইকিং করে। গত শনিবার বিকালে সে উদ্ধারকারী জেলের সঙ্গে বাড়ি ফিরে আসে। উদ্ধারকারী জাহাঙ্গীর জানান, তিনি ভোর প্রায় ৪টার দিকে চাঁই দিয়ে মাছ ধরার সময় শিশুটিকে ভাসতে দেখেন। পরে তাকে নদী থেকে উঠিয়ে তার বাড়িতে দ্রুত নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। সকালে শিশুটির জ্ঞান ফিরলে তার নাম ঠিকানা জানতে পেরে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

http://www.dainikdestiny.com/index.php?view=details&type=main&cat_id=1&menu_id=65&pub_no=386&news_type_id=1&index=5&archiev=yes&arch_date=03-09-2012

সাপের কামড়ে মৃত্যু

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার আম গ্রামের মধ্যপাড়া এলাকার বিষাক্ত সাপের কামড়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা বীরমুক্তিযোদ্ধা এছাহাক কাজী গতকাল সোমবার সকালে মারা যান। আম গ্রাম বাজারে এছাহাক কাজী মুদি দোকানে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় বিষাক্ত সাপে কামড় দেয়। তিনি বিষয়টি ফোনে নিজ পরিবারের সদস্যদের জানালে তাকে গ্রাম্য ওঝা এনে চিকিৎসা করা হয়। এ সময় ওঝার চিকিৎসা চলাকালে তিনি মারা যান।