ডেসটিনি ডিস্ট্রিবিউটর ফোরামের (ডিডিএফ) উদ্যোগে বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে ডিস্ট্রিবিউটরদের সঙ্গে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ডেসটিনি ডিস্ট্রিবিউটর ফোরামের (ডিডিএফ) উদ্যোগে বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে ডিস্ট্রিবিউটরদের সঙ্গে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ডেসটিনি ডিস্ট্রিবিউটর ফোরামের (ডিডিএফ) উদ্যোগে গতকাল ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর সেলস টিম ব্রাইট অ্যাসোসিয়েটসের বগুড়া ইউনিট অফিসে বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে ডিস্ট্রিবিউটরদের সঙ্গে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন পিএসডি মো. সামছুল তাব্রিজ, পিএসডি মো. আব্দুল কাদের, পিএসডি ফিরোজ কবির, পিএসডি নূরুল ইসলাম, পিএসডি সোনাহার বাদশা, পিএসডি ইউসুফ আলী প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন পিএসডি আনোয়ার হোসেন সবুজ। উপস্থাপনায় ছিলেন নজিবুর রহমান। এ সময় এক্সিকিউটিভসহ শতাধিক ডিস্ট্রিবিউটর উপস্থিত ছিলেন। বগুড়া অফিস।

সম্প্রতি ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর সেলস টিম অরবিট অ্যাসোসিয়েটসের আসমানিয়া শাখা ডেসটিনির সব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়াসহ বিভিন্ন দাবিতে আলোচনা সভার আয়োজন

সম্প্রতি ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর সেলস টিম অরবিট অ্যাসোসিয়েটসের আসমানিয়া শাখা ডেসটিনির সব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়াসহ বিভিন্ন দাবিতে আলোচনা সভার আয়োজন

সম্প্রতি ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর সেলস টিম অরবিট অ্যাসোসিয়েটসের আসমানিয়া শাখা ডেসটিনির সব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়াসহ বিভিন্ন দাবিতে আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েটসের প্রেসিডেন্ট পিএসডি আল অমিন। আরো উপস্থিত ছিলেন পিএসডি রাসেল সরকার, এক্সিকিউটিভ ফরিদ উদ্দিন, সজিবুল ইসলাম, রুহুল আমিন, রফিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম ও ইকবাল হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ সাজ্জাদ ইউসুফ। সভায় তিতাস ও দাউদকান্দি জেলার বিভিন্ন থানা থেকে অর্ধ শতাধিক ডিস্ট্রিবিউটর উপস্থিত ছিলেন।

চাটখিলে ডেসটিনির বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মামলার প্রতিবাদ ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা

চাটখিলে ডেসটিনির বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মামলার প্রতিবাদ ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা

চাটখিল প্রতিনিধি

ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর সেলস টিম ভিক্টোরি অ্যাসোসিয়েটসের চাটখিল ইউনিটের উদ্যোগে গত রোববার বিশেষ ব্যবসা উন্নায়ন ও প্রতিবাদ সভা চাটখিল নেট অফিসে অনুষ্ঠিত হয়। নেট ইনচার্জ পিএসডি আমিনুল হকের সভাপতিত্বে ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন পিএসডি মো. নুর উল্যা নয়ন, মো. নিজাম উদ্দিন, মো. শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন টুটুল, পারভেজ ইসলাম ইউসুপ, আ ন ম হান্নান, ওমর ফারুক হৃদয়, মো. এনামুল হক, রবিউল আলম, এক্সিকিউটিভ ডিস্ট্রিবিউটর সাইদ মোহাম্মদ তুষার, সাংবাদিক মো. নাছির উদ্দিন, মাহমুদ হোসেন সুজন, সুমন মজুমদার, রবিউল আলম, আব্দুল মান্নান, আব্দুর রহিম ও শহিদুল ইসলাম রাবি্ব। এ সময় শতাধিক ডিস্ট্রিবিউটর উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা সভায় ডিস্ট্রিবিউটরদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম গতিশীল করার প্রতি তাগিদ দেন এবং ডেসটিনির পণ্যের গুণগত মান সম্পর্কে ক্রেতাদের জানানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারল এম. হারুন-অর-রশিদ বীরপ্রতীক, চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ মোহাম্মদ হোসাইনের বিরুদ্ধে দুদকের মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রতিবাদ ও তাদের মুক্তির দাবি জানান।

বনাঞ্চলের উদ্যোগ ৩০ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি_অরক্ষিত পাহাড়ি বনভূমি-১

বনাঞ্চলের উদ্যোগ ৩০ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি
অরক্ষিত পাহাড়ি বনভূমি-১

আল-ফারুক আযম

দখল ও উজাড় হচ্ছে পার্বত্যাঞ্চলের বনজসম্পদ। নানা কারণে সরকারের বনায়ন কর্মসূচিও মুখ থুবড়ে পড়েছে। এ ক্ষেত্রে আশার আলো নিয়ে এসেছে ডেসটিনি ট্রি প্ল্যানটেশনসহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বনায়ন কার্যক্রম। এ নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন তৈরি করেছেন দৈনিক ডেসটিনির পার্বত্যাঞ্চল ব্যুরো প্রধান আল-ফারুক আযম

পার্বত্যাঞ্চলে নতুন করে সংরক্ষিত বনাঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ দীর্ঘ ৩০ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি। বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের এক নোটিশে সরকার পার্বত্য খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায় ২ লাখ ১৮ হাজার একর এলাকায় সংরক্ষিত বনাঞ্চল সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু
করে। তখন মহলবিশেষের ইন্ধনে সরকারি এ উদ্যোগ থমকে যায়।
বন বিভাগের সূত্রমতে, পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার রামপাহাড়ে ১৮৭১ সালে বার্মা থেকে সেগুন গাছের স্ট্যাম্প এনে সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে বনায়ন কার্যক্রম শুরু হয়। সে সময়ে বনজসম্পদ রক্ষিত ছিল। দেশ স্বাধীনের পর ১৯৮১-৮২ সালে সংরক্ষিত বনাঞ্চল সৃষ্টির কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমান এই বিশাল বনাঞ্চলের সিংহভাগই উজাড় হয়ে গেছে। নতুন বনায়ন কার্যক্রমও থমকে গেছে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট বনাঞ্চল ২৬ লাখ ৮৬ হাজার একর। এর মধ্যে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ৭ লাখ ৯৯ হাজার ৫৫ একর। মোট বনভূমি ৩২ হাজার ২৫০ একর এবং রাষ্ট্রীয় অশ্রেণীভুক্ত বনাঞ্চল (ইউসিএফ) ১৮ লাখ ৫৪ হাজার ২০০ একর। পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৯৮৫ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত এসব বনাঞ্চলের (নরমাল ফরেস্ট) গাছ কাটা নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু সে সময়েই সবচেয়ে বেশি বেআইনিভাবে গাছ কাটা হয়েছে।
এ প্রেক্ষাপটে ১৯৯২ সালের ৪ জানুয়ারি ইস্যুকৃত ১৯৯২ সালের ২১ মে বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত হয়। পার্বত্য খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায় ২ লাখ ১৮ হাজার একর এলাকায় সংরক্ষিত বনাঞ্চল সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। তখন একটি মহলের বনায়ন কার্যক্রমের বিরোধিতা শুরু হলে বনায়ন কার্যক্রম বেশিদূর আগাতে পারেনি। পরে ১৯৯৬ সালের ১৮ জুলাই আবার বনায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৩ হাজার একর ভূমি অধিগ্রহণের নোটিশ দেওয়া হয়। তখন রাঙ্গামাটির রাজস্থলী ও কাপ্তাই এলাকা থেকে কয়েকশ অভিযোগ বন বিভাগে দাখিল করা হয়। আদালতে ৭০টি মামলা দায়ের করা হয়। আদালত ১৯৯৬ সালের অক্টোবর মাসে বন বিভাগকে স্থগিতাদেশ দেয়। সামাজিক বনায়ন পরিকল্পনার আওতায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহায়তায় সরকার দেশের অন্য জেলাগুলোর মতো পার্বত্য জেলায় নতুন করে বনায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ৩৩৮ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার ১৮৭ কোটি টাকা দেবে। বাকি টাকা দেবে এডিবি।
জানা যায়, সংরক্ষিত বনাঞ্চল গড়ে তোলার জন্য বন বিভাগ তিন পার্বত্য জেলা (খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরাবন) ৮০টি মৌজার ২ লাখ ১৮ হাজার একর ভূমিতে বনায়ন প্রকল্প গ্রহণ করে। এর মধ্যে পার্বত্য বান্দরবান জেলায় সিংহভাগই বনায়নের আওতায় আসে। জেলার ৬টি উপজেলার বনাঞ্চলের ভেতরে রয়েছে ২৫টি মৌজা। এর মধ্যে নাইক্ষ্যংছড়ির ৩টি মৌজার ৪ হাজার ৮৪০ একর, আলীকদম উপজেলার ৩টি মৌজায় ৫ হাজার ৭৫৪ দশমিক ৯৮ একর, লামা উপজেলার ৩টি মৌজায় ২ হাজার ৭৮০ দশমিক ১৯ একর, রোয়াংছড়ি উপজেলার ১০টি মৌজায় ৪৩ হাজার ৯৮০ একর, রুমা উপজেলার ৩টি মৌজায় ৭ হাজার ৫০০ একর এবং বান্দরবান সদর উপজেলার ৩টি মৌজায় ৭ হাজার ৫০০ একর জমিতে সংরক্ষিত বনাঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বান্দরবান পার্বত্য জেলায় সংরক্ষিত বনাঞ্চলের আওতায় মোট ৭২ হাজার ৮০৫ দশমিক ১৭ একর ভূমি অধিগ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বর্তমানেও সরকারি রিজার্ভ ফরেস্টে চলছে গাছ কাটার মহোৎসব। অনেক বন কর্মকর্তা কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক বনে গেছেন। এদের মধ্যে বনখেকো সাবেক প্রধান বন সংরক্ষক ওসমান গণি ছিলেন অন্যতম। বনদস্যু ও বেশকিছু অসাধু বন কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে পাহাড়ের বনজসম্পদ উজাড় করে ফেলা হয়েছে। ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে সংরক্ষিত বনের মজুদ ১৯৬৪ সালে ২৩.৮ মিলিয়ন কিউবিক মিটার থেকে কমে ১৯৮৫ সালে ১৯.৮ কিউবিক মিটারে নেমে আসে।
বিশেষজ্ঞদের অভিমত, বাংলাদেশে বার্ষিক বন নিধনের হার ৩.৩ শতাংশ। পার্বত্যাঞ্চলে কয়েক দশক যাবৎ অব্যাহতভাবে বনজসম্পদ উজাড় করার ফলে ভূপৃষ্ঠের ওপরিভাগের পানি ইতিমধ্যে কমে গেছে। অসংখ্য ছড়া, ঝিরি বিলুপ্ত বা শুকিয়ে গেছে।
ওদিকে পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকারি সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়লেও বেসরকারি উদ্যোক্তারা বাণিজ্যিক বনায়নে এগিয়ে আসে। বিশেষ করে ডেসটিনি ট্রি প্ল্যানটেশন লিমিটেড, পিএইচপি গ্রুপ, এক্সিম গ্রুপ, মেরিডিয়ান গ্রুপ, মোস্তফা গ্রুপ, ডেলটা গ্রুপ, গ্লাক্সো গ্রুপ, গাজী গ্রুপ, একে গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ, আবুল খায়ের গ্রুপ, ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো, টাইগার ফার্ম, ডর্ম (এনজিও), জাবারাং (এনজিও), টিএমএসএসসহ (এনজিও) বিভিন্ন ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যক্তিরা বাণিজ্যিক বনায়ন কার্যক্রম শুরু করেছে। বিভিন্ন গ্রুপ অব কোম্পানির বেসরকারি উদ্যোগে বাণিজ্যিক বনায়নের বিরুদ্ধে মহলবিশেষের ইন্ধনে কতিপয় পত্রিকা উঠেপড়ে লেগেছে। মহলটি সরকারের বনায়ন প্রকল্প বাধাগ্রস্তই করছে না, বেসকরারি উদ্যোক্তাদের বাণিজ্যিক বনায়নের বিরোধিতা করছে। অথচ মহলবিশেষ পার্বত্য চট্টগ্রামের হাজার হাজার একর রিজার্ভ ফরেস্ট উজাড়ের বিষয়ে নির্বিকার।
এ ব্যাপারে বান্দরবান বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তৌফিকুল বারী জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকারের সামাজিক বনায়নে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। এর পেছনে যারা কাজ করছে তাদের অবিশ্বাসটিই মুখ্য। অন্য কোনো সমস্যা নেই। অনেকের ৫ একর জমি রয়েছে। কিন্তু দখলে ২০-৩০ একর। কারো কারো কাগজ নেই অথচ দখল করে বসে আছে একরের পর একর ভূমি। বন বিভাগ কিছু করতে চাইলেও প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হচ্ছে। সমতল ভূমিতে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম চলে আসছে। যত সমস্যা পাহাড়ে। অথচ বন বিভাগের ল্যান্ড, বন বিভাগের ইনভেস্ট। এরপরও বিরোধিতা। এখানকার আদিবাসীদের ধারণা, বন বিভাগের বনায়ন কার্যক্রমে আদিবাসীদের উচ্ছেদ করা হবে। তবে হাজার হাজার সাধারণ আদিবাসী ও বাঙালি সামাজিক বনায়নের পক্ষে। যত সমস্যা ওপরের (শীর্ষস্থানীয় উপজাতি নেতাদের) দিকে। তবে আশার কথা হচ্ছে, বান্দরবানে লিজকৃত বনায়নে যথেষ্ট সফলতা এসেছে। রাবার গাছে উৎপাদন শুরু হয়েছে। ফল গাছে ফল ধরছে। বেসরকারি উদ্যোক্তাদের ব্যাপক বনায়ন কার্যক্রম চললেও সরকারিভাবে যত সমস্যা বনায়ন সৃজনে।

ডেসটিনির পরিচালকদের জামিন বাতিলের আদেশ কেন বাতিল হবে না : হাইকোর্ট

ডেসটিনি রিপোর্ট

ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট লে. জেনারেল হারুন-অর-রশিদ বীরপ্রতীক (অব.) এবং চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রফিকুল আমীনসহ অন্যান্য পরিচালকের জামিন বাতিল করে নিম্ন আদালতের দেওয়া আদেশ কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না মর্মে কারণ দর্শাতে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। রুলের জবাব দিতে দুদকের উপপরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম এবং রাষ্ট্রপক্ষকে দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে আগামী ৫ নভেম্বর রুলের শুনানির দিন ঠিক করেছে আদালত। মহানগর দায়রা জজ আদালতের দেওয়া জামিন বাতিলের আদেশ বাতিল (কোয়াশমেন্ট) চেয়ে কোম্পানির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রফিকুল আমীন গতকাল রোববার একটি আবেদন করেন। আবেদনটির প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি খোন্দকার মূসা খালেদ ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গতকাল এ আদেশ দেয়।
আবেদনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নিয়ে ড. রফিকুল ইসলাম মেহেদী আদালতে বলেন, এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে মহানগর দায়রা জজ আদালত ডেসটিনির পরিচালকদের জামিন বাতিলের আদেশ দিয়েছে। কেননা ওই আদালত জামিন বাতিলের আইনগত কর্তৃপক্ষ নয়। জামিন বাতিল করে মহানগর দায়রা জজ আদালত ভুল করেছে। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জামিন দিয়ে কোনো ভুল করেনি। ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের যাবজ্জীবন ও মৃত্যুদ-াদেশ হতে পারে এমন অভিযুক্ত ছাড়া অন্যদের জামিন দেওয়ার এখতিয়ার রয়েছে। ডেসটিনির পরিচালকদের বিরুদ্ধে মানি-লন্ডারিং আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার সর্বোচ্চ ৭ বছর এবং সর্বনিম্ন ৬ মাস কারাদ-াদেশের বিধান রয়েছে। এই আইনে দায়ের করা মামলায় জামিন পাওয়ার অধিকার আসামিদের রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তা অন্যত্র স্থানান্তরের অভিযোগে ডেসটিনির পরিচালকদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। অথচ যেসব মানুষের কাছ থেকে ডেসটিনি টাকা নিয়েছে তারা কোনো অভিযোগ দায়ের করেননি। দুদক এ বিষয়ে মামলা করেছে। যে আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে সে আইনের ১৩ ধারায় জামিনের বিধান রয়েছে। তবে সেখানে বলা হয়েছে, জামিন দেওয়ার ক্ষেত্রে উভয়পক্ষকে শুনতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ডেসটিনির পরিচালকদের জামিন দিয়েছে। অথচ জামিনের বিরুদ্ধে দুদক রিভিশন করলে মহানগর দায়রা জজ আদালত জামিন বাতিল করার পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ঠিক করেনি বলে উল্লেখ করেন।
রফিকুল ইসলাম আরো বলেন, কোনো উপযুক্ত আদালত যখন কাউকে জামিন দেয় এবং জামিনের অপব্যবহার না করা হলে তখন জামিন ওই ব্যক্তির জন্য অধিকার হয়ে যায়। এক্ষেত্রে জামিনের অপব্যবহারের কোনো অভিযোগ ডেসটিনির পরিচালকদের বিরুদ্ধে নেই। ড. রফিকুল ইসলাম মেহেদীকে শুনানিতে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট এম এ হামিদ খান ও অ্যাডভোকেট ইয়াসিন করিম। অন্যদিকে এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জসিমউদ্দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
গত ১২ সেপ্টেম্বর মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান ডেসটিনির ৫ শীর্ষ কর্মকর্তার জামিন বাতিল করেন। পরদিন এই আদেশ আবার তিনি প্রত্যাহার করে নেন। পরে গত ২৭ সেপ্টেম্বর মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক ডেসটিনির ২২ পরিচালকের জামিন বাতিল করেন। এই আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গতকাল হাইকোর্টে আবেদন করা হলে আদালত রুল জারি করে।
সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের পর বিদেশে পাচারের অভিযোগে গত ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় ডেসটিনির ২২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে দুদক। রফিকুল আমীনসহ পাঁচ কর্মকর্তা গত ৬ আগস্ট এ দুই মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত তা মঞ্জুর করেন। পরে জামিন পান বাকি ১৭ আসামিও। পরে জামিনের বিরুদ্ধে মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন করে দুদক।
সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল হারুন-অর-রশিদ ও ডেসটিনির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির যেসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে তারা হলেন ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ মোহাম্মদ হোসাইন, পরিচালক সাঈদ-উর-রহমান, গোফরানুল হক, মেজবাহ উদ্দিন স্বপন, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, ইরফান আহমেদ সানি, ফারাহ দীবা, জমসেদ আরা চৌধুরী, নেপাল চন্দ বিশ্বাস, ইঞ্জিনিয়ার শেখ তৈয়বুর রহমান, জাকির হোসেন, আজাদ রহমান, আকরাম হোসেন সুমন, শিরিন আক্তার, মো. রফিকুল ইসলাম সরকার, মো. মজিবুর রহমান, মো. সুমন আলী খান, মো. সাইদুল ইসলাম খান (রুবেল), মো. আবুল কালাম আজাদ ও লে. কর্নেল (অব.) দিদারুল আলম।

গাজীপুরে স্মারকলিপি প্রদান ডেসটিনিতে প্রশাসক নিয়োগ বন্ধের দাবি ডিস্ট্রিবিউটরদের

গাজীপুরে স্মারকলিপি প্রদান
ডেসটিনিতে প্রশাসক নিয়োগ বন্ধের দাবি ডিস্ট্রিবিউটরদের

ডেসটিনিতে প্রশাসক নিয়োগ বন্ধের দাবিতে গতকাল গাজীপুরে ডিস্ট্রিবিউটর ফোরাম বিক্ষোভ (নিচে) করে স্থানীয় এমপি আ ক ম মোজাম্মেল হকের কাছে স্মারকলিপি দেয় -ডেসটিনি

ডেসটিনি রিপোর্ট
ডেসটিনিতে প্রশাসক নিয়োগ বন্ধের দাবি জানিয়েছে ‘ডেসটিনি ডিস্ট্রিবিউটর ফোরাম’। ডেসটিনিতে পরিচালক নিয়োগে প্রয়োজনে ৪৫ লাখ ডিস্ট্রিবিউটরের মধ্যে জরিপ চালানোর আহ্বান জানান ফোরাম নেতারা।
একই সঙ্গে মোহাম্মদ রফিকুল আমীনসহ সব পরিচালকের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, তাদের শর্তহীন মুক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের সব ব্যাংক হিসাব খুলে দেওয়ারও দাবি জানান তারা। ফোরাম নেতারা বলেন, কাজ করে এই প্রতিষ্ঠানে কোনো ক্রেতা-পরিবেশক ক্ষতিগ্রস্ত হননি।
গতকাল শনিবার ডেসটিনি ডিস্ট্রিবিউটর ফোরাম গাজীপুর শাখা ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম মোজাম্মেল হককে দেওয়া এক স্মারকলিপিতে এসব দাবি জানায়। ফোরামের গাজীপুর শাখার আহ্বায়ক রায়হান নোবেল এবং সদস্য সচিব শাখাওয়াত হোসেন রনির নেতৃত্বে সকাল সাড়ে ৯টায় গাজীপুরে সংসদ সদস্যের নিজ বাসভবনে গিয়ে এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ডেসটিনি ১২ বছর ধরে যে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে তা এমএলএম নামে পরিচিত। এর পক্ষে-বিপক্ষে নানা যুক্তিতর্ক থাকলেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই ব্যবসা বিদ্যমান রয়েছে। বহু দেশে এ ব্যবসার আইনি কাঠামোও রয়েছে। ডেসটিনি কর্তৃপক্ষ শুরু থেকেই আইন প্রণয়নের আহ্বান জানিয়ে আসছে। নীতিমালা তৈরির উদ্যোগে তারা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
ডেসটিনি গ্রুপের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে স্মারকলিপিতে বলা হয়, গণমাধ্যমের একটি অংশ হীন উদ্দেশ্যে ৪৫ লাখ লোককে বেকার করে দেশে অস্থিতিশীল অবস্থা তৈরি করে সরকারকে অসুবিধায় ফেলতে চায়। এর অংশ হিসেবে ৭ মাস ধরে লাগাতার মিথ্যাচার করে যাচ্ছে তারা। এতে দুর্নীতি দমন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভুল বুঝে ডেসটিনির পরিচালনা পর্ষদসহ জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। কিন্তু ডেসটিনির কোনো ক্রেতা-পরিবেশক তাদের পরিচালকদের বিরুদ্ধে কোথাও কোনো অভিযোগ করেননি।
ডেসটিনিতে কাজ করে গাজীপুরের প্রায় এক লাখ লোক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে মন্তব্য করে তারা বলেন, গত সাত মাস প্রতিষ্ঠানটির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ থাকায় কোনো প্রকার বেতনভাতা, কমিশন কিছুই না পেয়ে এ বিপুলসংখ্যক লোক মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তারা প্রধানমন্ত্রীকে এ বিষয়ে অবহিত করার জন্য সংসদ সদস্যকে অনুরোধ জানান।
ডিস্ট্রিবিউটররা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকায় তদন্ত, অধিকতর তদন্ত এবং উপর্যুপরি তদন্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। কিন্তু এখন যে অবস্থা দাঁড়িয়েছে তাতে চক্রান্তকারী মহলের একমাত্র লক্ষ্য প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংস করা_ বলেন ডিস্ট্রিবিউটররা।
ডিস্ট্রিবিউটররা বলেন, ডেসটিনিতে ভালো ছিলাম, থাকব। কোনো প্রকার পরিবর্তন, পরিবর্ধন এবং প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকদের অযথা হয়রানি না করার জন্য স্মারকলিপিতে অনুরোধ করা হয়।
ডিস্ট্রিবিউটররা ডেসটিনিতে কোনো প্রশাসক নিয়োগ চান না উল্লেখ করে ফোরামের পক্ষ থেকে বলা হয়, ডেসটিনিতে পরিচালক নিয়োগে প্রয়োজনে ৪৫ লাখ ডিস্ট্রিবিউটরের মধ্যে জরিপ পরিচালনা করা যেতে পারে। তারা ডেসটিনি গ্রুপের বিরুদ্ধে সব ধরনের ষড়যন্ত্র বন্ধের আহ্বান জানান।

ডেসটিনির তিন শীর্ষ কর্মকর্তার মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তি দাবি

ডেসটিনি ডেস্ক

ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল হারুন-অর-রশিদ বীরপ্রতীক, চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ মোহাম্মদ হোসাইনের বিরুদ্ধে দুদকের দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবি জানিয়ে গতকাল দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। আমাদের ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর_
চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল হারুন-অর-রশিদ বীরপ্রতীক, চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ মোহাম্মদ হোসাইনসহ অন্য পরিচালকদের বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা মামলায় গ্রেফতারের প্রতিবাদ ও তাদের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রামের ডিস্ট্রিবিউটররা। ডেসটিনি ডিস্ট্রিবিউটর ফোরাম-ডিডিএফ চট্টগ্রামের উদ্যোগে নগরীর আগ্রাবাদে সিঙ্গাপুর মার্কেটের ডিএসটিসি হলে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ডায়মন্ড এক্সিকিউটিভ আবদুল মান্নান। সভায় ডেসটিনির শীর্ষ তিন কর্মকর্তাসহ অন্য পরিচালকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন ডায়মন্ড এক্সিকিউটিভ জাহাঙ্গীর আলম, রাজীব তালুকদার, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, সুমন বিশ্বাস, ফারুক আহমেদ, পিএসডি স্বরূপানন্দ রায়, মোহাম্মদ ইসমাইল, রাজীব দাস, অরূপ দে, মাকলেবুর রহমান নয়ন প্রমুখ।
সভায় আড়াই সহস্রাধিক ডিস্ট্রিবিউটরের উপস্থিতিতে টেলিকনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন আইডিয়াল অ্যাসোসিয়েটসের সিইএম এ কে এম শহীদুল হক বাবু।
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি জানান, ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট লে. জেনারেল হারুন-অর-রশিদ বীরপ্রতীক (অব.), চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ মোহাম্মদ হোসাইনের অবিলম্বে মুক্তি ও ডেসটিনির বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়ার দাবিতে গতকাল কুষ্টিয়ায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ডিডিএফ-কুষ্টিয়া জেলা শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পিএসডি মো. আসমান আলী। আব্দুল মোমিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাইফুর রহমান, এস এম জাফরী, পলাশ সেন, আবু সালেহ, সোহেল, রনি, হালিমা, আলেয়া, আরিফুর রহমান প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন কুষ্টিয়ার নেট ইনচার্জ মো. আনিসুজ্জামান।
ঝালকাঠি প্রতিনিধি জানান, ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট লে. জেনারেল হারুন-অর-রশিদ বীরপ্রতীক (অব.), চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ মোহাম্মদ হোসাইনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ঝালকাঠি ডেসটিনি ডিস্ট্র্রিবিউটর ফোরামের আহ্বায়ক পিএসডি মো. আউয়াল খান, সদস্য সচিব আনিসুর রহমান, ঝালকাঠি অফিস ইনচার্জ পপরিন নিশকাত মুক্তা, পিএসডি অ্যাডভোকেট আরিফুর রহমান, মো. অলিউল ইসলাম, ফারুখ হোসেন, আলী হায়দার তালুকদার, সিকান্দার কবির, লুৎফর রহমান, বিকাশ রায়, তৌহিদুল ইসলাম, কৃষ্ণপদ মজুমদার, সঞ্জীব রায়, ফয়সাল, মুক্তা, খুকু, খালেদা পারভীন প্রমুখ।
বাগেরহাট প্রতিনিধি জানান, ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট লে. জেনারেল এম. হারুন-অর-রশিদ বীরপ্রতীক (অব.), চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসাইনের মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবিতে বাগেরহাট জেলা ডিস্ট্রিবিউটর ফোরাম গতকাল শুক্রবার প্রতিবাদ সভা করেছে। ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর বাগেরহাট ব্রাঞ্চ অফিসের হলরুমে জেলা ডিস্ট্রিবিউটর ফোরামের আহ্বায়ক পিএসডি আলী আকবর মিন্টুর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পিএসডি খন্দকার আকমল উদ্দিন সাকী, এক্সিকিউটিভ তরিকুল ইসলাম, মোস্তফা কামাল, হীরক চন্দ্র ম-ল, সরদার রহমত আলী, মোল্লা আতাউর রহমান, আনিসুর রহমান প্রমুখ। সভায় অফিস এক্সিকিউটিভ শেখ আবদুল আল ইমরান, মো. মোস্তফা, নন্দদুলাল ম-ল, প্রদীপ ম-ল, শাওন মজুমদার, অমৃত লাল হালদার, শিমু আক্তার, রবিউল ইসলাম, মামুনসহ শতাধিক ডিস্ট্রিবিউটর উপস্থিত ছিলেন। এ সময় হলরুমে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। বক্তারা ডেসটিনি গ্রুপের সকল পরিচালকের মুক্তি ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়ার দাবি জানান। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন রফিকুল ইসলাম সোহেল।